সিটিনিউজবিডি-ঢাকা : রাষ্ট্রদ্রোহের একটি ও নাশকতার ৯টিসহ মোট ১০টি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী ৯ জানুয়ারি তাকে আদালতে হাজির হতে হবে। অন্যথায় জামিন বাতিল হবে বলে জানিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে এই ১০ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। খালেদা আদালতে হাজির না হওয়ায়, সময়ের আবেদন করেন তার আইনজীবী জয়নাল আবেদীন মেজবাহ।
আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে বলেন, ৯ জানুয়ারি খালেদাকে আদালতে উপস্থিত হতে হবে। যদি তিনি উপস্থিত না হন তাহলে তার জামিন বাতিল করা হবে।
খালেদার বিরুদ্ধে মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে দারুসসালাম থানার নাশতার ৮ মামলা, রাষ্ট্রদ্রোহের ১টি ও যাত্রাবাড়ী থানার বিস্ফোরক আইনে ১টি মামলা।
রাষ্ট্রদোহের মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, ‘আজকে বলা হয় এত লক্ষ শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় সাক্ষী করা হয় ৮১ জনকে।
মামলার উল্লেখ্যযোগ্য আসামিরা হলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাবেক যুগ্ম-মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, শওকত মাহমুদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
অপরদিকে ২০১৫ সালের দারুসসালাম থানা এলাকায় নাশতার অভিযোগে ৮টি মামলা দায়ের করা হয়। এই ৮ মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়েছে।
এদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করতে বিশেষ আদালতে হাজির হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষজজ আবু আহমেদ জমাদ্দারের আদালতে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি উপস্থিত হন।
