শহিদুল ইসলাম, উখিয়া (কক্সবাজার) : উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে কুতুপালং অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা বস্তি এলাকায় আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মাঝে ঢালাও ভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এনজিও সংস্থা আইওএম আশ্রিত ৩শ পরিবারের মধ্যে খাবার তৈরি সরঞ্জামাদি সরবরাহের কথা স্বীকার করলেও বিভিন্ন এনজিও সংস্থা বস্তি সংলগ্ন পাহাড় জঙ্গলে ত্রাণ বিতরণ করছে। সচেতন মহল মনে করছেন ঢালাও ভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হলে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
গতকাল রোববার বেলা ১১ টার দিকে বস্তি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বস্তি সংলগ্ন জঙ্গলার্কীণ পাহাড়ে কে বা কারা ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে। জানতে চাওয়া হলে, ইনানী রয়েল রির্সোট লিঃ এর লোকজন দাবী করে তারা ব্যক্তি উদ্যোগে আশ্রিতা রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের সত্যতা স্বীকার করেন। এর আগের রাতে বস্তির পাহাড়ে বিপুল পরিমাণ শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে বলে নিবন্ধিত নেতা ফয়সাল আনোয়ার জানিয়েছেন। এনজিও সংস্থা আইওএম’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার সৈকত বিশ্বাস জানান, তারা সদ্য আশ্রিত ৩শ পরিবারকে খাবার তৈরির সরঞ্জামাদি সরবরাহ করেছে।
উখিয়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী জানান, অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের বিজিবি সদস্যরা আটক করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাচ্ছে। অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে তারা সীমান্তে রাতদিন পরিশ্রম করছে। এমতাবস্থায় আশ্রিত রোহিঙ্গাদের ঢালাও ভাবে ত্রাণ বিতরণ করা হলে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে উৎসাহিত করার শামিল বলে তিনি দাবী করেন।
