সিটিনিউজবিডি : বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ইন্টারনাল বা এক্সটারনাল কোনো ইনজুরির চিহ্ন আমরা পাইনি।
ঠিক কী কারণে শাকিলের মৃত্যু হয়েছে জানতে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য পাকস্থলী ও পেশীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, উনার হার্ট স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বড় ছিল। কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছিল কি না জানতে আমরা নমুনা হিস্টোপ্যাথলজিতে পাঠিয়েছি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র শাকিল এক সময় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সেল সিআরআই’র শুরুতে তা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
৪৭ বছর বয়সী শাকিলকে মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানের সামদাদো নামে একটি রেস্তোরাঁ থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিনসহ অনেকেই সেখানে ছুটে যান।
সামদাদো নামে ওই রেস্তোরাঁর পাঁচ কর্মীকে পুলিশের ভ্যানে তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। পুলিশের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরাও সেখানে যান।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তেজগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, কীভাবে শাকিলের মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সিআইডিও তা খতিয়ে দেখছে। রহস্য যদি কিছু থেকে থাকে, তা জানা যাবে।
মাহবুবুল হক শাকিলের মরদেহ মঙ্গলবার রাতে বারডেমের হিমঘরে রাখা হয়। সকালে ঢাকা মেডিকেলে ময়নাতদন্তের পরপরই নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
সেখানে জানাজা শেষে লাশ নেওয়া হবে শাকিলের বাড়ি ময়মনসিংহে। বাগমারা এলাকায় নিজের বাড়িতে সন্ধ্যায় তার লাশ দাফন করা হবে বলে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন।
