সিটিনিউজবিডি : ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর। মিত্র বাহিনীর সফল কয়েকটি অপারেশনের পর কক্সবাজার থেকে পালিয়ে যেতে থাকে পাক বাহিনী। এসময় মিয়ানমার (বার্মা) থেকে কক্সবাজারে ফিরে আসে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল। কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার মুক্তিযুদ্ধকালীন অধিনায়ক ক্যাপ্টেন (অবঃ) আবদুস ছোবহানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ১২ ডিসেম্বর জাতীয় পতাকা নিয়ে কক্সবাজার শহরের কেন্দ্রস্থল পাবলিক হল ময়দানে এসে এ অঞ্চলকে ‘শত্রুমুক্ত’ ঘোষণা করেন।
এভাবেই বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত লাল সবুজের পতাকা উড্ডয়নের মধ্য দিয়ে শত্রুমুক্ত ঘোষিত হয় কক্সবাজার। তাই ১২ ডিসেম্বর (সোমবার) কক্সবাজার হানাদারমুক্ত দিবস।
মুক্তিযুদ্ধকালীন অধিনায়ক ক্যাপ্টেন (অবঃ) আবদুস ছোবহান বলেন, কক্সবাজারের মুক্তিযোদ্ধাদের ইতিহাসে ১২ ডিসেম্বর একটি উজ্জ্বল দিন। রক্তে রঞ্জিত শ্যামল বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের প্রাক্কালে আমাদের প্রিয় কক্সবাজারের সুবর্ণ ললাটে মুক্তির রজত তিলক আঁকার এক গর্বিত দিন।
এ উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে উখিয়ার মরিচ্যায় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘মুক্তিযোদ্ধা সম্মেলন’ ও আলোচনা সভা।
এ বিষয়ে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মো. শাহজাহান বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে কক্সবাজার হানাদারমুক্ত হয়। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।
