ফাইনালে উঠে গেলো আর্জেন্টিনা

0

সিটিনিউজবিডিঃ ম্যাচটি শুরুর আগ পর্যন্ত একটা আশঙ্কা  ছিল । এই প্যরাগুয়ের সঙ্গেই তো গ্রুপ পর্বে ড্র করতে হয়েছিল। এই প্যারাগুয়েই তো ব্রাজিলকে বিদায় করে দিয়েছিল। তা হলে না জানি কেমন প্রতিরোধ মেসিদের সামনে গড়ে তোলে তারা! কিন্তু না, দেখা গেলো প্রতিরোধ তো দুরে থাক, আর্জেন্টিনার সামনে দাঁড়াতেই পারেনি তারা। উল্টো গোলবন্যায় ভেসে ৬-১ ব্যবধানে হেরে গেলো তারা। আর ফাইনালে উঠে গেলো আর্জেন্টিনা।

এতবড় ব্যবধান, অথচ একটিও গোল আসেনি মেসির পা থেকে। আগের চার ম্যাচের মত আজ সেমিফাইনালেও গোলশূণ্য থাকলেন তিনি। সব মিলিয়ে ৫ ম্যাচে তার পা থেকে গোল এসেছে মাত্র ১টি। তাও পেনাল্টি থেকে। গোল করতে না পারলেও প্যারাগুয়ের বিপক্ষে অসাধারণ খেলেছেন তিনি। ৬ গোলের ৫টিরই যোগানদাতা ছিলেন এই বার্সা তারকা। মূলতঃ পুরো খেলাটার নিয়ন্ত্রণই ছিল তার পা থেকে। মেসিছাড়া আর্জেন্টিার হয়ে অসাধারণ খেলেছেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। বলা যায় ডি মারিয়া নৈপুন্যের ম্যাচ এটি। গোলও করেছেন তিনি দুটি। এছাড়া বাকি গোলগুলো এসেছে সার্জিও আগুয়েরো, গঞ্জালো হিগুয়াইন, হ্যাভিয়ের পাস্তোরে এবং মার্কোস রোজোর পা থেকে। প্যারাগুয়ের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন লুকাস ব্যারিয়স।

৯ এবং ৬৮তম মিনিটে দুটি সুবর্ন সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। বিশেষ করে, এ নিয়ে প্যারাগুয়ের সামনে কোপা আমেরিকায় টানা ২৪ ম্যাচ অপরাজিত থাকলো আর্জেন্টিনা।২২ বছরের শিরোপা খরা কাটাতে শনিবারের উদ্বীপ্ত চিলির মুখোমুখি আর্জেন্টিনা। ১৯৯৩ সালের পর এখনও পর্যন্ত কোন শিরোপা জিততে পারেনি আর্জেন্টিনা। ১৯৯৩ সালে মেসির বয়স ছিল ৬ বছল। জাতীয় দলের হয়ে তো তার অর্জণ এখনও পর্যন্ত পুরোপুরি শূন্য। সুতরাং, প্রথম কোন টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ের সবচেয়ে সুবর্ন সুযোগের সামনে দাঁড়িয়ে মেসি।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.