সিটিনিউজ ডেস্ক:: দেশের প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ পেলেন বেগম কবিতা খানম। স্বাধীনতার পর ৪৫ বছর কেটে গেলেও এবারই প্রথম এই সাংবিধানিক পদে কোনো নারীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বেগম কবিতা খানম অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ।
দেশে এ পর্যন্ত ১১ বার নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। এ সময়ে ১১ জন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন ২৩ জন। কিন্তু এদের মধ্যে কেউ নারী ছিলেন না।
বর্তমান সরকার নারী ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে সব ক্ষেত্রেই নারীর অংশগ্রহণ বাড়াচ্ছে। এরই ধারাবাহিকাতায় তিনি কমিশনার হয়েছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, সংসদের উপনেতা, সংসদের বিরোধী দলীয় প্রধান নারী। এছাড়া সংসদের বাইরে অন্যতম প্রধান দল বিএনপির চেয়ারপরসনও নারী।
রাজশাহী জেলার সাবেক দায়রা জজ আদালতের বিচারক বেগম কবিতা খানম অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দীর্ঘ ৩১ বছর বিচারিক কাজ করেছেন।
সরকার, সংসদ, বিচারালয়, বিশ্ববিদ্যালয়সহ নানা ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়নের ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশনেও নারীর উপস্থিতির প্রত্যাশা কয়েক মাস আগে জানিয়েছিলেন রাজনৈতিক দলের নেতারা। এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদও একজন নারী কমিশনার নিয়োগের কথা বলেছিলেন।
সংবিধানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চার নির্বাচন কমিশনার নিয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রয়েছে।
সোমবার রাতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ পরবর্তী সিইসি ও কমিশনারদের নিয়োগ অনুমোদন করেন। রাত সাড়ে ১০টায় এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।
নতুন ইসি নিয়োগে সার্চ কমিটির দেয়া ১০টি নাম থেকে পাঁচজনকে বেছে নেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম একথা জানান।
বেগম কবিতা খানমের সাথে কমিশনের অন্য তিন কমিশনার হলেন-সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম এবং সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক সচিব নুরুল হুদা।
