খেলাধুলা : বাংলাদেশ দলের ভবিষ্যত টি-টোয়েন্টি অধিনায়ককে আগাম অভিনন্দন জানিয়েছেন ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ থেকে সদ্য বিদায়ী টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস করতে নেমে অবসরের ঘোষণা দেন ম্যাশ।
মঙ্গলবার তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজেও আকস্মিকভাবে অবসরের ঘোষণার বিষয়টি জানান। পাশাপাশি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের টসের সময়ও তিনি এ ঘোষণা দেন। জানিয়ে দেন, এটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ!
নিজের ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ টিম কে টি-টোয়েন্টি ইন্টারন্যাশনাল এ ১০ বছরের বেশি সময় ধরে প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য অনেক গর্বের। আমি বিশ্বাস করি বর্তমান দলটি একটি ভাল দল এবং দলে কিছু উদীয়মান খেলোয়াড় আছে। আমার উপর আস্থা রাখার জন্য এবং আমাকে এত চমৎকার দলের নেতৃত্ব প্রদানের সুযোগ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমি আমার সকল ভক্ত, পরিবার এবং বন্ধুদের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ আমাকে সবসময় সমর্থন করার জন্য। এই সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে উত্থান এবং পতন ছিল। আমি সবসময় চেষ্টা করেছি আমার ফ্যানদেরকে খুশি করার। আমি আমার প্রত্যেক ফ্যান এর কাছে তাদেরকে প্রতি ম্যাচে খুশি করতে না পারার জন্য ক্ষমা চাইছি। এই মুহূর্তে দল হিসেবে আমরা ভাল খেলছি। আমি নিশ্চিত বাংলাদেশ সামনের দিনগুলো তেও ভাল ক্রিকেট খেলবে।
তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি মনে করি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে অবসর নেয়ার জন্য এটাই আমার উপযুক্ত সময় যাতে অনেক তরুণ উদীয়মান ক্রিকেটার তাদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারে এবং বিসিবি তাদেরকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারে। আমি বাংলাদেশ এর টি-টোয়েন্টি টিম এর নতুন অধিনায়ককে আগাম অভিনন্দন জানাই এবং আমি নিশ্চিত বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেরা সময় সামনে আসবে। সবশেষে তিনি লেখেন, শিগগিরই আবার দেখা হবে। সকলের জন্য আমার আন্তরিক ভালবাসা।
২০০৬ সালে জাতীয় দলের পোশাকে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম এই সংস্করণে অভিষেকেই ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন মাশরাফি। সেই থেকে এই ম্যাচ পর্যন্ত খেলেছেন ৫৩টিতেই। পেয়েছেন দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩৯ উইকেট। মঙ্গলবারের ম্যাচ দিয়ে রেকর্ড ২৭ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাশরাফি। শেষ ম্যাচের আগ পর্যন্ত তার নেতৃত্বেই সর্বোচ্চ ৯টি জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।
