স্পোর্টস ডেস্ক::প্রথম সেশনে বাংলাদেশের ৪ উইকেটের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার পড়েছিলো ১ উইকেট। দ্বিতীয় দিনের বাকি দুই সেশন মিলিয়েই উইকেট পড়ল আর মাত্র একটা। ক্যাচ পড়ল, ষ্টাম্পিং মিস হলো। রক্ষণাত্মক ফিল্ডিংয়ের সুযোগে জমাট হলো অস্ট্রেলিয়ার দুই জুটি। শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটে ২২৫ রান তুলে দিন শেষ করেছে সফরকারীরা। ৮৮ রান করে অপরাজিত ডেভিড ওয়ার্নার, সঙ্গী পিটার হ্যান্ডসকম্বের রান ৬৯। জুটিতে এসে গেছে ১২৭ রান।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩০৫ রানের জবাবে শুরুতেই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। মোস্তাফিজুর রহমানের বলে ৫ রানের মাথাউ মুশফিকুর রহীমের দারুণ ক্যাচের শিকার হন ম্যাট রেনশো। দিনের শেষভাগে গিয়ে মুশফিকই মিস করেছেন দিনের সহজতম সুযোগ। মেহদী হাসান মিরাজের বলে ৭৫ রানে থাকা ওয়ার্নার ক্রিজের অনেক বাইরে বের হয়ে গেলেও ষ্টাম্পিং করতে পারেননি টাইগার অধিনায়ক।
এর আগেও সুযোগ দিয়েছিলেন ওয়ার্নার। তাইজুলের বলে সিলি মিড অনে ক্যাচ হাতে জমিয়েও ছেড়ে দেন মুমিনুল হক। দুই জীবন পাওয়া ওয়ার্নার এগুচ্ছেন বিপদজনক গতিতে। হ্যান্ডসকম্বের সঙ্গে তৃতীয় উইকেট জুটিতে এরমধ্যে তুলে ফেলেছেন রান।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতেও প্রায় শতরানের জুটি গড়েছিলেন স্টিভেন স্মিথ আর ওয়ার্নার। আক্রমণে এসেই স্মিথকে আউট করে তাদের ৯৩ রানের জুটি ভাঙেন তাইজুল। চা বিরতির মিনিট বিশেক আগে তাইজুলের সোজা বলে বোকা বনে ৫৮ রান করা স্মিথ বোল্ড হয়ে যান। বাংলাদেশি বোলারদের সাফল্য বলতে এই দুটিই। তবে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের বেশ ভুগিয়েছেন প্রথম টেস্টের হিরো সাকিব আল হাসান। সাকিবকে সবচেয়ে সতর্কতার সামলে সিঙ্গেলসের উপর খেলতে থাকেন তারা। ছড়ানো ফিল্ডি প্লেসের সুযোগে দুই জুটিতেই প্রচুর ১ রান করে নিতে পেরেছেন অসি ব্যাটসম্যানরা।
এর আগে ৬ উইকেটে ২৫৩ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিলো বাংলাদেশ। কিন্তু প্রথম সেশনেই আগের দিনের হাতে থাকা ৪ উইকেট খুইয়ে ফেলে মুশফিকরা। যোগ করতে পারে মাত্র ৫২ রান। অধিনায়ক মুশফিক করেন সর্বোচ্চ ৬৮ রান। আগের দিনে ১৯ রান নিয়ে ক্রিজে থাকা নাসির হোসেন আউট হন ৪৫ রান করে। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে অফ স্পিনার ন্যাথান লায়ন নেন ৯৪ রানে ৭ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ (দ্বিতীয় দিন শেষে)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসঃ ৩০৫/১০ (মুশফিক ৬৮, সাব্বির ৬৬, নাসির ৪৫; লায়ন ৭/৯৪)
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসঃ ২২৫/২ (ওয়ার্নার ৮৮*, হ্যান্ডসকম্ব ৬৯*, স্মিথ ৫৮, মোস্তাফিজ ১/৪৫)
