রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার জাতিকে বিভক্ত করেছে: ফখরুল

0

সিটিনিউজ ডেস্ক :: রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার জাতিকে বিভক্ত করেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোট আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘রাষ্ট্র যদি এভাবে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, এমন নজির পাকিস্তান আমলেও দেখিনি। এত বড় দুর্বৃত্ত এরশাদ আমলেও দেখিনি। এটা সন্ত্রাসীরাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। এত বড় একটা সংকট, রোহিঙ্গা সংকট। এটা মোকাবিলায় সব রাজনৈতিক দলের সভা করে জাতীয় ঐক্য তৈরি করতে হবে। রোহিঙ্গাদের কি যে মানবেতর পরিস্থিতি, অথচ সেখানে সরকার রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিতে বাধা দিল বিএনপিকে। কেন বাধা দিলেন ত্রাণ দিতে?’

ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ আমলেই এমন ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্র যখন জনগণের সাথে এরকম বিশ্বাসঘাতকতা করে তখন সেই রাষ্ট্রকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বলা হয়। বর্তমান সরকার দেশকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বানাতে চায়।

‘সরকারের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে, বিএনপি আর বিরোধী দল। রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হচ্ছে। প্রতিদিনি গুম, খুন, ধর্ষণ বেড়েই চলছে। উল্টো জনগণকে ডাইভার্ট করার জন্য জিয়া পরিবারের বদনাম শুরু করেছে। গুমের বিষয়ে সরকার ঢাক গুড়গুড় করছে কেন? যদি কেউ গুম হয়ে যায়, সেটা খুঁজে দেওয়ার দায়িত্ব সরকারেরই। এভাবে করে ক্ষমতায় কিছু দিন টিকে থাকা যায়।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আজকে সবার আঙুল কিন্তু সরকারের দিকে। সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুরসহ যাঁরা গুম হয়েছেন, সবাইকে ফেরত দেওয়া হোক।’ 

গুম নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, ‘রাষ্ট্রে যা কিছু ঘটবে তার সব দায় সরকারের।’

২০ দলীয় জোট ভেঙে যাচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জোট ভাঙার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের জোট অটুট রয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন কল্যাণ পার্টির প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল সৈয়দ ইব্রাহিম, এলডিপির মহাসচিব রেদওয়ান আহমেদ ও এনটিপির মহাসচিব ফরিদুজ্জামান ফরহাদ।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.