জামাল জাহেদ ,কক্সবাজারঃ কবি সাহিত্যিক দার্শনিকেরা ঠিকেই বলে সবুরা মেওয়া ফলে,৪০বছর পর আবারো প্রমাণিত হলো অবশেষে খুললো স্বপ্নের দুয়ার। সংরক্ষন হতে যাচ্ছে উখিয়ার উপকূলীয় ইনানীর চেংছড়ি গ্রামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ফেলোরাম চাকমার বাড়ি। শুক্রবার সকালে ফেলোরাম চাকমার বাড়িটি সংরক্ষিত স্থান হিসেবে ঘোষনা ও ফলক উন্মোচন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট বীরেন সিকদার।আর বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্বাবধানে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত এই বাড়িটি শীঘ্রই রূপ নিবে বঙ্গবন্ধু মিউজিয়ামসহ একটি পরিপূর্ণ পর্যটন স্পট হিসেবে।
বেঁচে থাকতে এই আনন্দের মুর্হুত্বটি ফেলোরাম চাকমা দেখে যেতে না পারলেও তার বংশধর ৬০ বছর বয়সী নাতি রবিঅং চাকমা তা দেখে আনন্দ অশ্রু ফেলেছেন দু’চোখ দিয়ে। পাশাপাশি সেই স্থানের ৮টি আদিবাসী পরিবারের মাঝেও আনন্দের বন্যা দেখা গেছে।অন্যদিকে সে কালের স্বাক্ষী এবং বঙ্গবন্ধুর সেবক স্থানীয় সোনারপাড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হাকিম মাষ্টার ও উখিয়ার খয়রাতি পাড়ার শতায়ু আবদুল খালেক এখনো বেঁচে আছেন।
তবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে যে বৃদ্ধা রান্না করে খাওয়াতেন সেই ছখিনা বেগম মারা গেছেন দু’বছর আগে।স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে-কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের উপকূলীয় ইনানী চেংছড়ি গ্রামে ১৯৫৮ সালের কোন এক সময়ে সাম্পানে করে এসে ফেলোরাম চাকমার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এরপর থেকে বঙ্গবন্ধুর অমর স্মৃতি বিজড়িত এই স্থানটি অবহেলিত থেকে যায়। কিন্তু গত কয়েক বছর আগে গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশন করা হলে। স্মৃতি বিজড়িত এই বাড়িটি সংরক্ষন করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
