‘সামিটে দক্ষিণ এশীয় শিল্পের নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে’
সিটি নিউজ ডেস্ক :: শিল্প ও স্থাপত্যকে নতুন আঙ্গিকে মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে সামদানী আর্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চতুর্থ বারের মত শুরু হয়েছে ঢাকা আর্ট সামিট। শুক্রবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ৯ দিনব্যাপী এই সামিটের উদ্বোধন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, আমাদের দেশে চিত্রশিল্পের অনেক পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে। এই ইতিহাস সবার সামনে তুলে ধরতে হবে। এখানে দক্ষিণ এশিয়ার প্রদর্শনীর ইতিহাসও তুলে ধরা হবে। ফলে এই সামিট আয়োজনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশীয় শিল্পের নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সামদানী আর্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক নাদিয়া সামদানী ও ঢাকা আর্ট সামিটের চেয়ারম্যান ফারুক সোবহান প্রমুখ।
এ ছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক ও বিদেশী শিল্পীরা। প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন ৩৫টি দেশের তিন শতাধিকেরও বেশি শিল্পী।
সামিটে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততাকে নতুনভাবে তুলে ধরা হবে। জাতীয় উন্নয়নকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করার জন্য রয়েছে শ্রীলঙ্কার অজানা শিল্পকলার ইতিহাস। সামিটে এবার প্রথমবারের মত সম্পৃক্ত হয়েছে ইরান ও তুরস্ক।
দক্ষিণ এশিয়ার কিছুটা অজানা ও একই সাথে সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় শিল্পকলার উন্নয়নকে সামনে রেখে সামিটে ১৬টি প্যানেল আলোচনা ও ২টি সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পীদের জন্য সামদানী আর্ট এ্যাওয়ার্ড প্রদান ও সামদানী সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশের শিল্পকর্ম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছে দেয়া আর্ট সামিটের অন্যতম উদ্দেশ্য। এর অংশ হিসেবে আর্ট সামিটে থাকছে এশীয় শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর অন্যতম পুরানো প্ল্যাটফর্ম এশিয়ান আর্ট বিয়েনালের উপর একটি বিশেষ প্রদর্শনী যেখানে প্রখ্যাত বাংলাদেশী শিল্পী সফিউদ্দিন আহমেদ, এম এম সুলতানসহ অন্যান্য শিল্পীদের শিল্পকর্ম প্রদর্শনী করা হবে। ৫৫টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান আর্ট সামিটের সঙ্গে পার্টনার হিসেবে রয়েছে।
