দিলীপ তালুকদার : চট্টগ্রাম শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন বিভাগের সকল প্রকার দায়িত্বভার গ্রহন করেছেন ঢাকা সিটি এসবি। সে কারনে শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) সকল কাযক্রম বন্ধ করে সকল সদস্যকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
চট্টগ্রাম নগর বিশেষ শাখা সূত্র জানায়, ঢাকা সিটি এসবি দায়িত্ব পাওয়ায় ৮৩ সদস্যের জনবল নিয়ে একটি টিম গত ১০ নভেম্বর চট্টগ্রাম এসে পৌঁছেছে। তারা ইমিগ্রেশনের দায়িত্ব পালন করছেন।
পুলিশের একটি গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে ইমিগ্রেশনের সহযোগীতায় কতিপয় মাফিয়াচক্র মানব পাচারসহ তাদের অপকর্ম চালিয়ে আসছিল। এতে ইমিগ্রেশনের কতিপয় সদস্য সরাসরি জড়িত ছিল বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
গত ১৩ অক্টোবর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ভূয়া ভিসায় লিবিয়ায় পাচারকালে ৩৯ জনকে উদ্ধার করে র্যাব। গত ১০ নভেম্বর ঢাকা সিটি এসবি দায়িত্ব গ্রহনের দিন ভূয়া ভিসায় ইরাকে পাচারকালে ৫জনকে উদ্ধার করে র্যাব।
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের একটি সূত্র জানায়, ইমিগ্রেশন বিভাগে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যের যোগসাজশে দুবাইয়ের “এয়ার এরাবিয়া ও ফ্লাই দুবাই” নামে দুটি এয়ারলাইন্সযোগে চট্টগ্রাম শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মানবপাচারের ঘটনা ঘটেছে। এতে করে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমুর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে। অন্যান্য দেশের বিমান বন্দরের ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে মানবপাচার কল্পনাতীত।
পুলিশের উচ্চ পরযায়ের নির্দেশে বিশেষ শাখার গোয়েন্দা তদন্ত প্রতিবেদনে চট্টগ্রাম শাহ্ আমানত বিমানবন্দরের ভয়াবহ চিত্র উঠে আসে। পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি আলমগীর কবিরের নেতৃত্বে উক্ত তদন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা সিএমপির সকল সদস্যকে প্রত্যাহার করে ঢাকা সিটি এসবিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
ঢাকার বিশেষ পুলিশ সুপার শাহরিয়ার কবিরের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পরিচালিত হবে।
