নিজস্ব প্রতিবেদক:: পথচারী ও নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে আজ ২৮ মার্চ, বুধবার অত্যাধুনিক সুবিধাসহ দু’টি পাবলিক টয়লেট উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে চট্টগ্রামের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ. কে. এম ফজলুল্লাহ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নগর পরিকল্পনা বিভাগের প্রধান শাহীনুল ইসলাম খান, দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের (ডিএসকে) নির্বাহী পরিচালক ডা. দিবালোক সিংহ ও ওয়াটারএইড বাংলাদেশের দেশীয় প্রতিনিধি ডা. মোঃ খাইরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের (ডিএসকে) সহযোগিতায় এবং কিম্বারলি কøার্ক ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে নগরীর লালদিঘি পাড় ও কে-সি দে রোডে পাবলিক টয়লেট দু’টি স্থাপন করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।
আধৃুনিক ও দৃষ্টিনন্দন প্রতিবন্ধীবান্ধব এই পাবলিক টয়লেট দু’টিতে রয়েছে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা চেম্বার, হাত ধোওয়ার ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ খাবার পানি, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ, স্যানিটারি ন্যাপকিন, নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরাসহ পেশাদার পরিচ্ছন্নকর্মী ও মহিলা তত্ত্বাবধায়কের ব্যবস্থা।
অনুষ্ঠানে ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডাঃ মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেন, জনসাধারণের জন্য পরিচ্ছন্ন, ‘নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত গণশৌচাগার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা সাথে পেয়েছি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম ওয়াসাকে। দেশের সামগ্রিক পাবলিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে ক্রমবর্ধমান পাবলিক স্যানিটেশন চাহিদা পূরণের ধারাবাহিকতায় রাজধানীর বাইরে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে অত্যাধুনিক পাবলিক টয়লেট স্থাপনের আরও একটি দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো আজ। আমরা বিশ্বাস করি, স্থানীয় সরকার, সেবা প্রদানকারী সংস্থা ও সুশীল সমাজের সমন্বিত প্রচেষ্ঠা ও উদ্যোগেই সঠিক পাবলিক স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য অপর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেট চট্টগ্রাম নগরীর একটি বড় সমস্যা। বিদ্যমান পাবলিক টয়লেটগুলোও অনেকটাই ব্যবহারের অযোগ্য। এসব পাবলিক টয়লেটগুলোতে ন্যূনতম মানসম্পন্ন স্যানিটেশন সুবিধা নেই। এর ফলে অনেকে উন্মুক্ত স্থানে মল-মূত্রত্যাগ করছে। পাবলিক টয়লেট সঙ্কটে সবচেয়ে বেশি কষ্টকর অভিজ্ঞতার শিকার নারী ও শিশুরা। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশের বিভিন্ন স্থানে পাবলিক টয়লেট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ।
