রাখাইনের পরিস্থিতির ক্রমঃঅবনতি ঘটেছে: কফি আনান

0

সিটিনিউজ ডেস্ক:: মিয়ানমারের রাখাইনে পরিস্থিতি উন্নতির পরিবর্তে আরও খারাপ হয়েছে বলে জানিয়েছে আনান কমিশন। জুন মাসে কমিশনের দেয়া এক নতুন প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে, যেটি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের হাতে আসে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কমশিনের পরামর্শ ও সুপারিশ সত্ত্বেও উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইনের পরিস্থিতির ক্রমঃঅবনতি ঘটেছে। পরিস্থিতির এই অধঃগতি কমিশনের কাজের গুরুত্বকে সামনে এনেছে।

২০১৬ সালের অক্টোবর ও ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে ব্যাপকভাবে রোহিঙ্গা নিধন শুরু হয়। এ বছরই দায়িত্ব নেওয়ার দ্বিতীয় মাসেই সু চি নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। রাখাইন পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সুপারিশ তৈরির জন্য একটি কমিশনের নেতৃত্ব দিতে তিনি আনানকে অনুরোধ জানান।

এরপর ২০১৬ সালের জুনে মিয়ানমারে সফর করে কফি আনান ফাউন্ডেশন। সেসময় সু চির অনুরোধে সাড়া দেন আনান। গত বছরের ২৪ আগস্ট কমিশনের কার্যকাল শেষে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়ে, সু চি আসলে ভেবেছিলেন কমিশনে আনান ছাড়া বাকি যে বিশেষজ্ঞরা থাকবেন, তারা সবাই মিয়ানমারের নাগরিক হবেন। তবে কফি আনান আর তার ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে ওই কমিশনে আরও দুইজন বিদেশি রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়। যাতে করে কমিশনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সদস্যদের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। পরবর্তীতে ছয়জন দেশি আর তিনজন বিদেশি বিশেষজ্ঞ সদস্যকে নিয়ে ওই কমিশন গঠিত হয়।

পর্যায়ক্রমে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নাগরিকত্ব নিশ্চিত করাকেই রাখাইন সংকট সমাধানের পথ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল কফি আনান কমিশনের প্রতিবেদনে।

অভিযোগ রয়েছে, সেই সুপারিশগুলো মিয়ানমার গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে আলোর মুখ দেখছে না।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.