সিটি নিউজ, বাঁশখালী : উপজেলার পুঁইছড়ি গ্রামে সম্পত্তির লোভে সৎ ছেলের হাতে বৃদ্ধা খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত সকিনা বেগম (৬৫) ওই এলাকার জমিদার মৃত মাস্টার বদিউল আলমের দ্বিতীয় স্ত্রী।
গত ৯ জুলাই সোমবার সকাল ৮টায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই দিনগত রাতে ওই নারীর সন্তান মোহাম্মদ সরোয়ার উদ্দিন বাদি হয়ে তিন সৎ ভাই ইমরুল কায়েস মিঠু,আতিকুর রহমান ও আলমগীরসহ ৮ জনকে আসামি করে বাঁশখালী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বাদি মোহাম্মদ সরোয়ার উদ্দিন জানান, পুঁইছড়ি গ্রামের মাস্টার বদিউল আলম তাঁর প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তাঁর মা সকিনা বেগমকে বিয়ে করেন। বদিউল আলমের মৃত্যুর পর থেকে তাঁর আগের স্ত্রীর তিন ছেলে ইমরুল কায়েস মিঠু, আতিকুর রহমান ও আলমগীর এবং ইমরুলের স্ত্রী পপি আক্তার, স্থানীয় নুরুল আলম, মহিমউদ্দিন, রেজাউল করিম, আবু তাহের মিলে মায়ের প্রাপ্য বিপুল পরিমাণ জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালান।
তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিয়েছিলাম। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে খুন করার হুমকিও দিয়ে আসছিল খুনিরা। গত ৯ জুলাই সকালে ওরা আমার বৃদ্ধ মাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে।’
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, হত্যা মামলার পর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে। বৃদ্ধার মৃত্যুর পিছনে সম্পত্তির বিরোধ আছে বলে দাবি করছেন মামলার বাদি।
তিনি জানান, মামলার বাদি মোহাম্মদ সরোয়ার উদ্দিন নিহত বৃদ্ধা সকিনা বেগমের আগের স্বামীর ঘরের সন্তান। তিনি সাতকানিয়া উপজেলার চরতি ইউনিয়নের দক্ষিণ চরতি গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে। এদিকে বৃদ্ধা সাকিনা বেগমের মৃত্যুর পর এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কেন তাকে মেরে ফেলা হলো এ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র। এলাকার অনেকেই বৃদ্ধার আগের সন্তানের করা মামলার সূত্র ধরে বলেন, বৃদ্ধার অঢেল জায়গা জমি দখলে নেবার জন্য তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।
