কারেন্ট টাইমসঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হলেই স্বাধীনতার প্রকৃত স্বপ্ন পূরণ হবে। স্বাধীনতা কারো একার নয়। আওয়ামীলীগ যেখানে দেশকে একদলীয় পথে নিয়ে গেছে, মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ এটা হতে পারে না।
আজ রবিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির বিজয় র্যালী উত্তর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বিএনপির প্রতি জনগণের যে সমর্থন দেখছি, যে উচ্ছ্বাস দেখছি, যে উদ্দীপনা দেখছি, যে উজ্জ্বীবিত তারা হয়েছে, তারা কিন্তু সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। ৩০ ডিসেম্বর কি ঘটবে। তারা কিন্তু একতাবদ্ধভাবে তাদের মালিকানা ফিরে পাওয়ার জন্য ভোট কেন্দ্রে যাবে। ভোট প্রয়োগ করবে, ভোট বুঝে নেবেন। আমাদের কাজ হচ্ছে, শক্তিশালী অবস্থান রেখে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এই কাজটা যদি আমরা করতে পারি, দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে তাহলে আমরা দেশের মালিকানা ফিরে পাবো, গণতন্ত্র ফিরে পাবো।
আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা ও জীবনের নিরাপত্তা ফিরে পাবো। এ রকম একটি শব্দ কোনদিন ব্যবহার করতে হবে আমি মনে করি নাই। স্বাধীন দেশের সাধারণ নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে সেটা কোনদিন বিশ্বাস করি নাই। আজকে কিন্তু সেটাই সত্য।
বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে নাসিমনভবনস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে সকাল ১১ টায় বিজয় র্যালী বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিনেমা প্যালেস মোড়ে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে শহীদ বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সুফিয়নের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় সদস্য সামশুল আলম, মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, নাজিমুর রহমান, হারুন জামান, সফিকুর রহমান স্বপন, মাহবুবুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক মো: শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গির আলম দুলাল, আনোয়ার হোসেন লিপু, সহ সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম,
সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মোমিন, সম্পাদকবৃন্দ এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ডা: এস এম সরওয়ার আলম, মাহমুদ আলম পান্না, অধ্যাপক ঝন্টু বড়ুয়া, জিয়া উদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আবু জহুর, দিদারুল আলম চৌধুরী, আবদুন নবী প্রিন্স, নগর মহিলা দল সভাপতি কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, নগর স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরী,
চকবাজার থানা বিএনপির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান বাবুল, বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি হানিফ সওদাগর, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দল নেতা শেখ নুরুল্লাাহ বাহার, কাউন্সিলর ইসমাইল বালি, নগর বিএনপির সহ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, নকীব উদ্দিন ভূঁইয়া, আবু মুসা, এড. সেলিম উদ্দিন শাহীন, সফিক আহমেদ, আবুল খায়ের মেম্বার, মহিলা দল সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, সিনিয়র সহসভাপতি ফাতেমা বাদশা, নগর ছাত্রদল সহসভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, নগর তাঁতীঁ দলের সভাপতি জাহাঙ্গির আলম, আকবর শাহ থানা সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দিন চৌধুরূী মাঈনু, নগর বিএনপির সদস্য আলী ইউসুফ, মো. জাকির হোসেন, নুর উদ্দিন হোসেন নুরু, ইউসুফ সিকদার, শাহেদা বেগম প্রমুখ।
