আগামী বাজেটের পর এমপিওভুক্তির ঘোষণা- শিক্ষামন্ত্রী
সিটি নিউজ ডেস্ক : শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য দু’এক মাস সময় চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী। চারটি নির্ণয়কের মাধ্যমে এমপিওর আবেদন যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। আগামী বাজেটের পর এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেয়া হবে বলেও আন্দোলনরত শিক্ষকদের জানান মন্ত্রী। এমপিওর দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষকদে মাঝে পৌছে এমন বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তার সাথে ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: সোহরাব হোসাইন। বিকেল তিনটা ২৫ মিনিটের দিক তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনরত শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে আসেন।
তবে, শিক্ষামন্ত্রীর এমন ঘোষণায় আশ্বস্ত নন ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহামুদুন্নবী ডলার। মন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হওয়ামাত্রই দৈনিক শিক্ষাকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়া একথা জানান ডলার। আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন কিনা–এ বিষয়ে সবার সাথে আলোচনা করে সন্ধ্যা ছয়টায় সিদ্ধান্ত জানাবেন তারা।
এদিকে এমপিওভুক্তির (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মচারীরা আমরণ অনশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামীকাল সোমবার (২৫ মার্চ) থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে তাদের আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার। এর আগে, বেলা ১২টার দিকে কেন্দ্রীয় কমিটি বৈঠক করে অনশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, বেতনবিহীন যন্ত্রণার জীবনের চাইতে আন্দোলন করে মৃত্যুবরণ করাই উত্তম। সারাদেশ থেকে নন-এমপিও শিক্ষক কর্মচারীরা ঢাকায় এসেছেন। ন্যায্য দাবি আদায়ে তারা গত ৫ দিন ধরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রাজপথে বসে আন্দোলন করে যাচ্ছেন। কিন্তু তাদের ন্যায্য দাবির এ আন্দোলনের শব্দে কেউ কর্ণপাত করছে না! তাই কাল থেকে আমরা অনশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি আরো বলেন, আমরা এবার কঠিন অনশনে যাব। অনশন করে যদি কেউ অসুস্থ হয়ে যায় তবুও আমরা স্যালাইন বা চিকিৎসা নেব না।
জানা যায়, গত বৃহ্স্পতিবার থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সারাদেশের বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীরা। যদিও গত কয়েক বছর ধরেই এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন তারা।
এর আগে, গত বছরও একই দাবিতে টানা ১৭দিন অনশন করেছিলেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। পরে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে অনশন ভেঙে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন তারা।
