ইভিএম বাংলাদেশে প্রয়োজন নেইঃ মোশাররফ

0

সিটি নিউজ ডেস্কঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি শেষ পর্যন্ত থাকবে। তিনি বলেন, ইভিএম বাংলাদেশে প্রয়োজন নেই।

আজ বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারী) রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

এর আগে ময়মনসিংহ জেলা দক্ষিণ বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দদেরকে নিয়ে শহীদ জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান খন্দকার মোশাররফ।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মাঝপথ থেকে ফিরে আসে বিএনপি – আওয়ামী লীগ নেতাদের এই বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা কোন সময় মাঠ থেকে ফিরে এসেছি? আমরা একাদশ নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ছিলাম। আমরা এবারও থাকবো। কিন্তু তারা যেটা বলছেন, সেটা নিজেদের দুর্বলতা থেকে বলছেন। আমরা নির্বাচনে থাকবো, আর আমরা নির্বাচনে অতীতেও ছিলাম।

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সকল দল অংগ্রহণ করছেন, সুতরাং এই নির্বাচন নিয়ে বিতর্কের প্রশ্ন উঠে না – প্রধান নির্বাচন কমিশনের এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা অংশগ্রহণ করেছি। সেটাও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছিল। কিন্তু ৩০ ডিসেম্বরের ভোট ২৯ তারিখ রাতে ডাকাতি হয়েছে- এটা সবাই জানে। সুতরাং এই সরকার এবং নির্বাচন কমিশন যা বলে তা তাদের মনের কথা নয়। আর এটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হচ্ছে, আমাদের অংশগ্রহণ করার কারণেই। তবে আমরা বিশ্বাস করি না, তারা (সরকার ও ইসি) সুষ্ঠু নির্বাচন করবে এবং আর আমরা আশাও করি না তারা নিরপেক্ষ করবে।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ইভিএমের বিষয়ে আমরা প্রথম থেকে প্রতিবাদ করেছি। বলেছি, ইভিএম বাংলাদেশে প্রয়োজন নেই। আর আমরা বুঝি যন্ত্র দিয়ে এ ধরণের কারচুপি করা আরো সহজ। এখন মেশিনের মাধ্যমে ভোট কারচুপি করবে। সেই কারণে তারা ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিচ্ছে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ইভিএম ব্যবহার করার প্রচেষ্টা করছে। এটা আমরা মানি না। আমরা এর প্রতিবাদ করি।

বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, সম্প্রতি ক্যাবিনেটে একটি আইন সংশোধন করা হয়েছে। সেটা হচ্ছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন একটি আইন সংশোধন করা হয়েছে। অতিতে আইনের মধ্যে ছিল যে, সরকার প্রয়োজন মনে করলে বছরে একবার বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের দাম বাড়াতে পারবে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে সরকার ইচ্ছা করলে একবার বা একাধিকারবার বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের দাম বাড়াতে পারবে। আমি মনে করি, এই আইনটি করা হয়েছে এই সেক্টরে আওয়ামী লীগের যে সিন্ডেকেট আছে, তাদের মুনাফা ও পকেট ভারী করবার জন্য।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.