সিটি নিউজ ডেস্কঃ বিএনপি কারাবন্দি বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে উচ্চ আদালতের আদেশ দেখে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে।
আজ বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
লন্ডন থেকে স্কাইপেতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের মধ্যে ছিলেন অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন প্রমুখ।
বৈঠকে খালেদার জামিন শুনানির প্রেক্ষাপটে আইনজীবীদের সঙ্গে খালেদা জিয়ার মামলার সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনা করেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে দেড় ঘণ্টার এই বৈঠক হয়। তবে বৈঠকের পর গণমাধ্যমে কোনো কথা বলেননি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এমনকি বিএনপির অন্য নেতারাও মুখ খোলেননি।
দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘ম্যাডামের জামিন শুনানিকে সামনে রেখে আলোচনা হয়েছে। বিস্তারিত কথা কালই বলবো।
এদিকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুপুরেই খালেদা জিয়ার শারীরিক সর্বশেষ অবস্থাসহ স্বাস্থ্য প্রতিবেদনটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেলের কাছে জমা দিয়েছে।
গত সোমবার হাইকোর্ট খালেদা জিয়ার জামিন শুনানীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে এই প্রতিবেদন আজ বুধবার বিকাল ৫টার মধ্যে দেয়ার নির্দেশ ছিলো। প্রসঙ্গত, গত বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কেএম জহিরুল হকের বেঞ্চে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় জামিনের জন্য আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর দলের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের কোনো ব্রিফিং করা হয়নি।
