মোদি বিরোধী বক্তৃতা বিবৃতিতে সরকার বিব্রত নয়ঃ কাদের
সিটি নিউজ ডেস্কঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসা প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে বিভিন্ন দল ও সংগঠন। তবে মোদিকে এই প্রতিহতের ঘোষণায় বা তাদের বক্তৃতা বক্তব্যে সরকার বিব্রত নয়।
আজ সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রীর দফতরে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অকৃত্রিম বন্ধু ও সর্বাত্মকভাবে সহায়তাকারী দেশ ভারত। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীতে বাংলাদেশে আসছেন। যারা বিরোধিতা করছেন তাদের উচিত মোদিকে স্বাগত জানানো।’
‘আর যারা মোদির আগমনের বিরোধিতা করে স্লোগান দিচ্ছেন, তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার পালন করছেন। তবে সবার উচিত তা না করে মুজিববর্ষে অনারেবল গেস্ট হিসেবে মোদিকে স্বাগত জানানো’ বলে জানান ক্ষমতাসীন দলটির এই সম্পাদক।
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীর পরের দিন ১৮ মার্চ দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে দু’দেশের মধ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।’
সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে এলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে।’
মুজিববর্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর চূড়ান্ত করতে আজ সকাল ৯টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান হর্ষবর্ধন শ্রিংলা।
এরপর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘বাংলাদেশ-ভারত : একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এক সেমিনারে শ্রিংলা বলেন, আসামে যে নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) হালনাগাদ করা হয়েছে, সেই প্রক্রিয়াটি পুরোপুরিই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশের জনগণের ওপর ওই প্রক্রিয়ার কোনো প্রভাব থাকবে না।
তিনি বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘বাংলাদেশ: ভারত: একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভবিষ্যৎ’-শীর্ষক এক সেমিনারে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
