এবার সৌদিও ইসরায়েলি বিমানকে আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি দিল
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সৌদি আরব ইসরায়েলের বিমান চলাচলে নিজেদের আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার দু’দিনের সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সৌদি আরবে পৌঁছে দেশটির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকের পর সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইসরায়েলের বিমান চলাচলে নিজেদের আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সৌদি প্রিন্স।
আজ বুধবার সৌদি আরবের সরকারি সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
এসপিএ বলছে, বৈঠকে এই অঞ্চলে শান্তির সম্ভাবনা এবং ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরুর ব্যাপারে জোর দিয়েছেন সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ও ট্রাম্পের উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার।
গত ১৩ আগস্ট ইসরায়েল এবং আমিরাত সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে রাজি হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য সফর করছে জ্যারেড কুশনার নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধি দল। এই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে মার্কিন প্রতিনিধি দলের।
এসপিএ বলছে, ইসরায়েল-আমিরাতের বিমান চলাচল শুরুর আগে বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের সব ফ্লাইটকে আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব।
চলতি সপ্তাহে প্রথমবারের মতো ইসরায়েলি এবং মার্কিন প্রতিনিধিদের একটি বহর নিয়ে তেলআবিব থেকে আমিরাতে আসে ইসরায়েলি একটি বিমান। ইসরায়েলি এই বিমানকেও প্রথমবারের মতো আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি দেয় সৌদি আরব।
ইসরায়েল-আমিরাতের চুক্তির ঘোষণা অনুযায়ী, ইসরায়েল দখলিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আর কোনও ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ করবে না। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। চুক্তি হলেও তারা এই সম্প্রসারণ কার্যক্রম থেকে পিছু হটবেন না।
এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন লড়াই, ফিলিস্তিন ইস্যুসহ মধ্যপ্রাচ্যের পুরো রাজনৈতিক পরিস্থিতি খোল-নলচে পাল্টে যেতে পারে। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ইসরায়েল-আমিরাতের চুক্তিটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল এবং এটি বাতিল হওয়া উচিত।
