চসিকের ডোর টু ডোর পরিচ্ছন্নে নয়ছয়

0

জুবায়ের সিদ্দিকী, সিটি নিউজঃ  হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪১ নং ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্ন সুপারভাইজার। শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। দাখিল পাশ করেছেন। ইন্টামিডিয়েট এর জাল সার্টিফিকেট দিয়ে হয়ে গেছেন সুপারভাইজার। সেবক থেকে এখন সুপাভাইজার। এভাবে ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্ন সুপারভাইজার হারুনুর রশিদ। তিনিও দাখিল পাশ করেছেন। ১৯৯৮ সালে তিনি নবম শ্রেনীতে পড়েন বলে জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

অথচ ১৯৯৯ সালে তিনি দাখিল পাশের সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন। হেলাল উদ্দিনকে জাল না আসল সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, প্রথম বর্ষে লেখাপড়ার কাগজপত্র জমা দিয়েছি। কাগজ জাল কিনা জানিনা। হারুনুর রশিদ বলেন, ভাই এ নিয়ে পত্র পত্রিকায় নিউজ হয়েছে। আমিতো প্রতিবাদ করিনি।

এভাবে নয়ছয় আর হাজার হাজার গোঁজামিলে ভরা চসিকের “ডোর টু ডোর’’। পরিচ্ছন্ন বিভাগের ব্যক্তিগত নথিপত্র যাচাই বাছাই করতে গত ১৮ আগষ্ট চসিকের সচিবালয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও কোন কার্যকর ভূমিকা নেয়নি সিটি কর্পোরেশন।

সিটি কর্পোরেশনের ২ হাজার ৬৫ জন পরিচ্ছন্ন শ্রমিকের তালিকা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়নি। নিজেদের কাছে নিয়োগকৃত শ্রমিকদের ছবিসহ পূর্ণাঙ্গ তালিকাও নেই। তবে প্রতিমাসে ২ কোটি টাকার বেতন গ্রহণ করা হতো শুধুমাত্র শ্রমিকদের সংখ্যা উল্লেখ করেই। প্রতিমাসে এদের সংখ্যা বাড়ছে।

সাবেক মেয়রের মৌখিক নির্দেশের কথা বলে পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্তারা তাদের দায়দায়িত্ব ছেড়েছেন। পরিচ্ছন্ন বিভাগের এক কর্মকর্তা নগরীতে ‍দু’টি ফ্ল্যাট, ৫তলা বাড়ীসহ অগাধ সম্পদের মালিক। “ডোর টু ডোর” কার্যক্রমে নয়ছয় হিসাব দেখে চোঁখ ছানাবড়া হয়েছে নবনিযুক্ত প্রশাসকের।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.