চট্রগ্রাম অফিস :: যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম কলঙ্কমুক্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মামলার সাক্ষী ও চট্টগ্রামের বিশিষ্ট জনেরা।
এ শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে উল্লেখ করে তারা বলছেন, এটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী তার অপরাধের যথাযথ শাস্তি পেয়েছে উল্লেখ করে বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.অনুপম সেন বলেন, এই শাস্তি সাকা চৌধুরীর প্রাপ্য ছিল। তিনি বলেন, রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে অন্যায় ও বিচারহীনতার অবসান হলো।
ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের দায় মোছন হয়েছে মন্তব্য করে মামলার অন্যতম সাক্ষী ম.সলিমুল্লাহ বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মামলার সাক্ষী দিয়েছিলাম। ঐতিহাসিক এ রায় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, সাকা চৌধুরীর সর্বোচ্চ বিচার হয়েছে, তাই মামলার একজন সাক্ষী হিসেবে আমি খুবই খুশি।
রায় কার্যকরের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হয়েছে মন্তব্য করে অপর সাক্ষী শেখ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, দীর্ঘদিন অপেক্ষায় ছিলাম। তবে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল সাকার ফাঁসি হবে। তিনি বলেন, সালাউদ্দিনের মতো একজন যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর করায় জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। দীর্ঘ বছর পর বাঙালি জাতি আজ মাথা উঁচু করে দাড়িয়েছে।
সাক্ষী উম্মে হাবিবা সুলতানা বলেন, আজকে আমি ভীষণ খুশি, আমি এতই আবেগপ্রবন হয়ে পড়েছি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। সাকা-মুজাহিদের মতো সব রাজাকার, আলবদর, স্বাধীনতা বিরোধীদের যেন এভাবে ফাঁসি হয়।
