চট্রগ্রাম অফিস :: জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেছেন, জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ফার্মেসিতে মিলছে সরকারি ওষুধ। ফলে গরিব ও সাধারণ রোগীরা সরকারি হাসপাতালে গিয়ে সরকারের বিনামূল্যের ওষুধপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
সোমবার সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতাল থেকে এক শ্রেণির নার্স ও কর্মচারীদের যোগসাজশে বের হওয়া বিনামূল্যের ওষুধে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। পাশাপাশি বিক্রয় নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ বিপুল পরিমাণ ওষুধও পাওয়া যাচ্ছে। তাই সরকারি ওষুধ চুরি রোধে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, দেশে হাজার হাজার ডাক্তার নিয়োগ হলেও নিয়োগ পাওয়ার পর অনেক ডাক্তার উচ্চ শিক্ষার নাম দিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করে যাচ্ছেন। এতে দেশের স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্ন ঘটছে। তাই স্বাস্থ্যসহ সকল সরকারি সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা একের পর এক বাস্তবায়ন করে চলেছে। তাই সরকারের ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন ও ২০৪১ সালের মধ্যে এ দেশকে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে জনগণের দোড়গোঁড়ায় সেবা পৌঁছে দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আবদুল জলিল, সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মো. আবুল হোসেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী দীপক রঞ্জন অধিকারী, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মো. শহিদুল্লাহ, জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল হাই, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল (রাউজান), প্রমুখ ।
