জীবন দিয়ে বাঙালি বিশ্বে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে: মেয়র

0

নিজস্ব প্রতিবেদক :: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ব্যাপক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৪৫ তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে সম্পদশালী, সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার দৃপ্ত শপথে পালিত হয় ৪৫ তম মহান বিজয় দিবস। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন ভোর ০১ মিনিটে চট্টগ্রাম কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে শহীদ বেদীতে স্বাধীনতার শহীদদের স্মৃতির প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিনব্যাপি কমসূচি’র সুচনা করেন।

ভোরে চসিকের প্রধান কার্যালয়সহ সবগুলো স্থাপনায় জাতীয় ও কর্পোরেশনের পতাকা উত্তোলন করা হয়। মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন সকাল ৮ টায় নগর ভবনে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্প মাল্য অর্পণ করেন। পরে বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন ষ্টেডিয়ামে কর্পোরেশন ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের স্কাউট, গালর্স গাইড, রোভার রেঞ্জার, কাব দল ও ছাত্র ছাত্রীদের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সালাম গ্রহণ করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের মনোজ্ঞ ডিসপ্লে উপভোগ করেন। ছাত্র ছাত্রীদের ডিসপ্লে ও কুচকাওয়াজে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক। প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন। পরে বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন ষ্টেডিয়ামে ৪ দিন ব্যাপি স্কাউট গালর্স গাইড, রোভার রেঞ্জার, কাবদলের জাম্বুরী উদ্বোধন করেন মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন।

সিটিনিউজবিডি
সিটিনিউজবিডি

তিনি বেলুন, ফেষ্টুন ও পায়রা উড়িয়ে এই ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে মেয়র ক্যাম্পে ক্যাম্পে ঘুরে কুশল বিনিময় ও সার্বিক বিষয়ে খোজ খবর নেন। বিকেল ৩ টায় চসিক আয়োজনে থিয়েটার ইনষ্টিটিউট মিলনায়তনে চিত্রাংকন ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, চিত্রাংকন, সাধারণ নৃত্য, লোকনৃত্য, আবৃতি, রবীন্দ্র সংগিত, নজরুল সংগীত, দেশের গান, লোক সংগিতসহ ১০ টি বিষয়ে বিজয়ীদের হাতে হাতে পুরষ্কার তুলে দেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন।

চিত্রাংকন সহ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন। উল্লেখিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, মিসেস জোবাইরা নার্গিস খান, নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক, হাসান মুরাদ বিপ্লব, ইসমাইল বালি, এইচ এম সোহেল, হারুন উর রশিদ, শৈবাল দাশ সুমন, এস এম এরশাদ উল্লাহ, আবিদা আজাদ, জেসমিন পারভিন জেসি, নিলু নাগ, ফেরদৌসী আকবর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. শফিউল আলম, সচিব রশিদ আহমদ, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মিসেস নাজিয়া শিরিন, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সহ চসিক এর বিভাগীয় ও শাখা প্রধানগণ।

সিটিনিউজবিডি
সিটিনিউজবিডি

চিত্রাংকন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পুরষ্কার বিতরণ, ডিসপ্লে ও কুচকাওয়াজ উদ্বোধন এবং স্কাউট গালর্স গাইড, রোভার রেঞ্জার, কাবদলের ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, মুুক্তিযুদ্ধ দেড় হাজার বছরের বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ গৌরব ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সহ ১৯৭১ থেকে আজোবদি সকল শহীদদের স্মৃতি’র প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মেয়র। তিনি বলেন, ৪৪ বছর আগে এদিনে অপ্রতিরোধ্য মুক্তিযোদ্ধারা দেশের জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে স্বাধীনতাকামী সকল মানুষের সর্বাতœক সহযোগিতায় পাকিস্তানি ঔপনিবেশক শাসনের শৃংখল ছিন্ন করে অর্জন করেছিল একটি সার্বভৌম ভুখন্ড যা বিশ্ব মানচিত্রে খোদিত হলো বাংলাদেশ।

সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, জাতির পিতার বলিষ্ঠ ও আপোষহীন নেতৃত্বে ১৯৫২ সনের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২ সনের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সনের ৬ দফা, ১৯৬৯ সনের ১১ দফা’র আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার ক্ষেত্র তৈরী করেন। ১৯৭০ সনের সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি বৈধ ভিত্তি অর্জন করে।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.