লাইফস্টাইল : সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ চালিয়ে দেখেছে, যেকোনো মানুষেরই একটি কাজে যৌনতা বেড়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এ কাজটি হলো গান শোনা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ। বুধবার এক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপটি করেছে ইলেক্ট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান সনোস। তারা দাবি করেছে, সঙ্গীকে যৌনতায় আকর্ষণের জন্য সংগীতের জুড়ি নেই। স্পিকার নির্মাতা সংস্থাটির দাবি, যাদের বাড়িতে গান শোনা অভ্যাস রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি যৌনতা করে। এ জরিপের জন্য আটটি দেশের প্রায় ৩০ হাজার ব্যক্তিকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
এতে উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনা অভ্যাস থাকলে তা ইতিবাচক সম্পর্ক সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। এ ছাড়া বাড়িতে যারা জোরে গান শোনে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো থাকে বলে দাবি তাদের। বাড়িতে গান শোনার ফলে যে প্রতিক্রিয়া হয় তা ‘মিউজিক মেকস ইট হোম’ জরিপের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলাফল তারা একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে। জরিপে দেখা গেছে, যারা বাড়িতে সংগীত শোনেন তারা যৌনতায় অন্যদের তুলনায় ৬৭ শতাংশ বেশি সক্রিয় থাকেন।
এ ছাড়া যারা নিয়মিত সংগীত শোনেন তারা সংগীত না শোনাদের তুলনায় বাড়িতে প্রতিসপ্তাহে অতিরিক্ত ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময় অন্যদের তুলনায় বেশি কাটান। এ বিষয়ে মস্তিষ্ক বিষয়ে গবেষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. ড্যানিয়েল জে. লেভিটিন বলেন, ‘ঘটনা হলো মানুষ বাড়িতে একসঙ্গে থাকে কিন্তু তারা পরস্পরের সঙ্গে খুব একটা মনের ভাব বিনিময় করে না। সংগীত হতে পারে এ সমস্যার সমাধান।’
তার মতে, এ গবেষণায় আমাদের সংগীত শোনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। বাড়িতে সংগীত শোনার কয়েকটি উপকারিতার কথাও জানা গেছে এ জরিপে। উত্তরদাতারা জানিয়েছেন, বাড়িতে সংগীত শোনায় তাদের ভালো মানসিকতা, বেশি ভালোবাসা, বেশি অনুপ্রেরণা ও বেশি হাসি দেওয়ার সুযোগ হয়।
