ঢাকা : সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান এম অ্যান্ড এম এয়ার সি কারগো লিমিটেড, এর পাঁচ মালিকসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মুদ্রাপাচার ও কর ফাঁকির অভিযোগে দায়ের করা এক রিট আবদনে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
দেশের প্রচলিত বৈদেশিক বাণিজ্যনীতি (ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন) ১৯৪৭, আয়কর অধ্যাদেশ-১৯৮৪ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (অর্থ পাচার) ২০১২ অনুযায়ী কেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। আগামী চারসপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে দায়ের করা এক আবেদেনর শুনানি করে বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন। জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান এ রিট আবেদন করেন।
রিটে বিবাদিরা হলেন, বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যানশিয়াল ইনটেলিজেন্স (এফআইইউ) এর নির্বাহী পরিচালক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে চেয়ারম্যান, মহা ব্যাবস্থাপক, রেজিস্ট্রার জয়েন্ট স্টক কোম্পানি অ্যান্ড ফার্মস (আরজেএসসি), চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের কমিশনার, মাঞ্চ অ্যান্ড মিলিটজার (এমঅ্যান্ডএম) কার্গো বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মনিকা শিল্পী অধিকারী, এম অ্যান্ড এম এয়ার সি কার্গো বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালক মো. মফিজুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামীম হোসাইন, বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ তানজিরুর রহমান এবং কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. শাফি ওমর।
রিট আবেদনে বলা হয়, সুইজারল্যান্ড এর এম অ্যান্ডএম কোম্পানি বাংলাদেশে তাদের এজেন্ট নিয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা এদেশ থেকে কৌশলে পাচার করা হচ্ছে। সরকারের রাজস্ব বোর্ডে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ পাচার করছেন তারা। এতে শতশত কোটি টাকার কর থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ।
