ঢাকা : জ্বালানি তেলের দাম কমলে বাস ভাড়া কমে আসবে। এ ছাড়া ভেজাল জ্বালানি তেল বিক্রি করলে পেট্রোল পাম্পের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
সচিবালয়ে নিজ দফতরে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা ফার্নেস ওয়েলের দাম কমিয়েছি। নৌপথে পণ্য পরিবহনে ভাড়া কমার একটা সম্ভাবনা থাকবে।’ ‘তেলের দাম কমবে, তাই গণপরিবহনের ভাড়াও সমন্বয় করা উচিত হবে। সরকার গ্যাসের দামও সমন্বয় করতে চাইছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যত্রতত্রভাবে গ্যাসের ব্যবহার বন্ধ করতে চাচ্ছি। ইতোমধ্যে আমরা গ্যাস ব্যবহারের একটা মাস্টার প্ল্যান তৈরি করেছি। সেদিকে আমরা এগুচ্ছি। আমাদের মূলত জোর হলো আবাসিক খাত থেকে গ্যাস সরিয়ে এনে এলপিজি-তে চলে যাওয়া।’
নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি- সিএনজি থেকে আমরা আস্তে আস্তে সরে আসতে পারি কিনা। তবে হয়তো পাবলিক ট্রান্সপোর্টে সিএনজি কিছুটা থাকবে।’
তিন ধাপে অকটেন, পেট্রোল, কেরোসিন ও ডিজেলের দাম কমবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম ধাপে দাম আগামী সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে কমতে পারে। এর পাঁচ-ছয় মাস পর হয়তো একটি ধাপ, তারও কয়েক মাস পর হয়তো আরেকটি ধাপে জ্বালানি তেলের দাম কমানো হবে।’
ধাপে ধাপে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেখতে চাই প্রথম ধাপে কমানোর পর কী অবস্থা হয়। বিপিসির দেনা রয়ে গেছে, পুরো দেনা তারা এখনো শোধ করতে পারছে না। কিছু কিছু হলেও আমাদের বিপিসির দেনাও শোধ করতে হবে। এ জন্য আমরা একটু সময় নিয়ে দাম কমাতে চাচ্ছি।’তেলের দাম কত কমতে পারে জানতে চাইলে নসরুল হামিদ বলেন, ‘বিভিন্ন তেলের ওপর ভিত্তি করে ১০ টাকা, ৬ টাকা, ৪ টাকা করে কমতে পারে।’

Comments are closed.