বজ্রপাতে চার জেলায় নিহত ৭

ঢাকা: রাজশাহী, নাটোর, হবিগঞ্জ ও নীলফামারীতে বজ্রপাতে সাতজন নিহত হয়েছেন।  বজ্রপাতে আহত হয়েছেন আরো অন্তত ছ’জন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

রাজশাহীর মোহনপুর, হবিগঞ্জের বানিয়াচং ও নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জে এবং নাটোরের নাটোরে লালপুরে এসব বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- মোহনপুরের আতা নারায়নপুর গ্রামের শামসুদ্দিনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, একই উপজেলার হাততৈড় গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুল আজিজ ও ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের শ্রী সত্য চন্দ্র, বানিয়াচংয়ের প্রতাপপুর গ্রামের তাজুল মিয়ার ছেলে হাবিব মিয়া, কিশোরীগঞ্জ উপজেলার ফুলের ঘাট গ্রামের কৃষক আলম হোসেনের স্ত্রী লালবিবি, নাটোরের লালপুর উপজেলার উত্তর লালপুরের বান্টু আলীর স্ত্রী সাহারা বানু (৪৮) ও রঘুনাথপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোবারক আলী (৩০)।

এ ছাড়া বজ্রপাতে আহতরা হলেন, মোহনপুর উপজেলার পোল্লাকুড়ি গ্রামের জালাল উদ্দিন, বারইপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের স্ত্রী আলিমন বেগম, মোল্লা ডায়িং গ্রামের ছমির উদ্দিনের স্ত্রী জাহানারা বেগম, বাগমারার ধামিনপুর গ্রামের রহিমা বেগম, নাটোরের লালপুর উপজেলার মোহরকয়া গ্রামে আব্দুস সালামের স্ত্রী পাপিয়া খাতুন (২৫) ও কাজীপাড়ার জনৈক মোহাম্মদ আলীর ছেলে সাজেদুল ইসলাম।

তাদের মধ্যে গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে মোহনপুরের ঘাষিগ্রাম ইউনিয়নে বজ্রপাতে তিনজন নিহত হন। একই সময় পৃথক বজ্রপাতে আরও চারজন আহত হন।

পুলিশ জানায়, দুপুরে বৃষ্টির সময় মোহনপুরে মাঠে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে আব্দুল আজিজ ও সত্যচন্দ্র মারা যান। আব্দুর রাজ্জাক নিজ বাড়িতেই বজ্রপাতে নিহত হন।

বানিয়াচংয়ের হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে হাবিব মিয়া (৩০) নিহত হয়েছেন।

নিহতের স্বজনরা জানায়, বিকেলে হাবিব মিয়া বাড়ির পাশের জমির ধান কাটছিলেন। বিকেল ৩টার দিকে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাতে তিনি আহত হন।  তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে সদর আধুনিক হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কিশোরীগঞ্জ উপজেলার ফুলের ঘাট গ্রামে নিজ বাড়ির রান্নাঘরে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন দুই সন্তানের জননী লালবিবি। বজ্রপাতে রান্না ঘরটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নাটোরে লালপুরে বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ বর্জপাতে এক নারীসহ দুজন নিহত এবং অপর এক নারীসহ দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের লালপুর উপজেলা হাসপাতালে  ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাতে নাটোরের লালপুর উপজেলার উত্তর লালপুরের বান্টু আলীর স্ত্রী সাহারা বানু (৪৮) ও রঘুনাথপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোবারক আলী (৩০) ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

একই সময়ে উপজেলার মোহরকয়া গ্রামে আব্দুস সালামের স্ত্রী পাপিয়া খাতুন (২৫) ও কাজীপাড়ার জনৈক মোহাম্মদ আলীর ছেলে সাজেদুল ইসলাম বজ্রপাতে আহত হয়েছেন। আহত দুজনকেই লালপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হাই তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ বিভাগের আরও খবর

Comments are closed.