খেলাধুলা : সব কিছু ঠিক থাকলে ক্লাব ও জাতীয় দলের প্র্যাকটিস ছাড়াও ব্যক্তিগত উদ্যোগে ব্যাটিং ও বোলিংটা ঝালিয়ে নিতে এবং ফিটনেস লেভেল ঠিক রাখতে চায় আশরাফুল। নিষেধাজ্ঞার খারায় পড়ে বন্ধ ক্রিকেটীয় সব কর্মকান্ড। প্রিয় ক্রিকেটার আশরাফুল ম্যাচ গড়াপেটায় জড়িত জেনে ক্ষোভে পাতানো খেলায় জড়িত হবার মত জঘন্য কাজ করলেন আশরাফুল খুব কাছের মানুষও ক্ষুব্ধ হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন।
জাতীয় দলে ফেরার নিষেধাজ্ঞা না কাটলেও ক্রিকেটীয় কর্মকান্ডের ফেরার ছাড়পত্র পাওয়ায় এখন সেই হারানো নীড়ে আবার ফেরার সুযোগ এসেছে। তার ঘরোয়া ক্রিকেটে সম্পৃক্ত হবার আর বাধা নেই। তাই নিষেধাজ্ঞা মুক্ত আশরাফুল দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় পর আজ দুপুরে আবার যাবেন শেরে বাংলায়।
আশরাফুল জানান, বেসরকারি একটি টেলিভিশনে অনুষ্ঠান শেষে আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে শেরে বাংলায় যাব। সিইও সুজন ভাইয়ের ( নিজামউদ্দীন চৌধুরী) সাথে দেখা করবো। তবে সেটা নিছক সৌজন্য সাক্ষাত নয়। আশরাফুল বোর্ড প্রধান নির্বাহীর কাছে জানতে চাইবেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে শেরে বাংলার ইনডোর, একাডেমিতে প্র্যাকটিস করা যাবে কিনা ?
তার কথা, ‘নিষিদ্ধ হবার পরও আমি ক্রিকেট ছাড়িনি। নিজ উদ্যোগে ফিটনেস ধরে রাখার কাজ এবং নিয়মিত ব্যাটিং-বোলিং করেছি। সেটা আমার বাসার কাছেই করেছি। এখন বিসিবির জিম, ইনডোর ও একাডেমি ব্যবহারের অনুমতি পেলে শেরে বাংলায় যাব। অনুশীলনটা আরও পরিপাটি হবে।’
এদিকে ১৩ আগষ্ট নিষেধাজ্ঞার খারা মুক্ত হলেও এখন পর্যন্ত বোর্ডের কারো ফোন পাননি আশরাফুল। বোর্ড পরিচালক, সিইও কেউ একবার হ্যালো করেননি। তবে তাতে কোন আক্ষেপ নেই। আশরাফুলের কথা, এ তিন বছর আমি নিজেই সবার থেকে দূরে ছিলাম। বলতে পারেন, চেনা জানা মানুষজনের কাছ থেকে নিজেকে সড়িয়ে রেখেছিলাম। ফোন নম্বরও পরিবর্তন করেছি। কাজেই আমার নাম্বারও কেউ জানেন না। তাই হয়ত কেউ কল দিতে পারেননি। তার সম সাময়ীক ক্রিকেটারদের কারো সাথেও তিন বছর কথা হয়নি। ক্রিকেট যাদের সঙ্গে বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করেছে, সেই মাশরাফি, শাহরিয়ার নাফীস, আফতাব ও নাফীস ইকবাল কারো সঙ্গেই যোগাযোগ নেই। সবার সঙ্গে একটা দূরত্ব তৈরি হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার আশরাফুল শেরে বাংলায় পৌঁছানোর পর সে প্রশ্নের প্রাথমিক উত্তর মিলবে। দেখা যাক তার সম সাময়ীক ও অনুজপ্রতিম ক্রিকেটাররা তাকে কিভাবে নেন?
