ট্রাম্পকে পরাস্ত করে হিলারি দর্শক জরিপে এগিয়ে

0

সিটিনিউজবিডি :  মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে দর্শক জরিপে, ৫২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন ডেমোক্রেট প্রার্থী। শেষ বিতর্কেও ট্রাম্পকে পরাস্ত করলেন হিলারি ক্লিনটন । সাম্প্রতিক বিভিন্ন অভিযোগের জন্য হিলারির কড়া সমালোচনা ও তির্যক মন্তব্যের শিকার হয়েছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে ৩৯ ভাগ ভোট ট্রাম্পের ঝুলিতে।

অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বীকে ছেড়ে কথা বলেননি রিপাবলিকান এই প্রার্থী। বিভিন্ন ইস্যুতে দুজনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি যুক্তির লড়াইয়ে ৯০ মিনিটের এ বিতর্ক ছিল টানটান উত্তেজনার।

সঞ্চালক ক্রিস ওয়ালেসের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বিতর্ক মঞ্চে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিনটন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। কোন ধরণের সৌজন্য না দেখিয়েই জড়িয়ে পড়লেন তর্কযুদ্ধে।

সবশেষ বলা হচ্ছিল, নির্বাচনের মাত্র ১৯ দিন আগে শেষ বিতর্কে ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের সুযোগ ছিল ট্রাম্পের। বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনায় ব্যক্তিগত কাঁদা ছোড়াছুড়ি পিছনে ফেলে দুই প্রার্থীর কাছ থেকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার আশা করা হচ্ছিল।

কিন্তু বিতর্কে ঘুরে-ফিরেই এসেছে ট্রাম্পের নারী-বিতর্ক। তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ আবারো নাকচ করে পুরোপুরি বানোয়াট বললেন বহু বিতর্কের জন্ম দেয়া রিপাবলিকান এই প্রার্থী।

ট্রাম্পকে কুপোকাত করতে কথার অস্ত্র চালাতে বেশ তৎপর ছিল হিলারি। তার মন্তব্য.নারীদের অপমান করা ট্রাম্পের সহজাত।

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতি, সিরিয়া ও পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে উঠে আসে রাশিয়ার নাম। হিলারি অভিযোগ তোলেন, রাশিয়ার সঙ্গে সখ্য রয়েছে ট্রাম্পের।

হিলারি ক্লিনটন বলেন, ‘রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ওয়েবসাইটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য হ্যাক করে উইলিলিকসের কাছে সরবরাহ করছে। ট্রাম্প একে উৎসাহিত করে আসছেন। রাশিয়া ট্রাম্পকে পুতুল প্রেসিডেন্ট বানিয়ে সুবিধা নিতে চায়।

পাল্টা অভিযোগে ট্রাম্পের মন্তব্য হিলারি ও ওবামা সিরিয়া বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা করেছে।

এবারো অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের বিপক্ষে অবস্থান তুলে ধরেন। অন্যদিকে হিলারি অস্ত্র রাখার পক্ষে সমর্থন দিলেও এক্ষেত্রে একটি নিয়ন্ত্রণ-আইন থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন। গর্ভপাত বিষয়ে নারীদের স্বাধীনতা দেখতে চান হিলারি। অন্যদিকে ট্রাম্পের যুক্তি হলো, এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা রাজ্যগুলোর হাতে থাকতে হবে।

অভিবাসন বিষয়ে ট্রাম্প তার অবস্থান থেকে এতোটুকু সরে আসেনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ওবামার অভিবাসন নীতি যুক্তরাষ্ট্রে বিপর্যয় ডেকে এনেছে। দেশকে নিরাপদ করতে অবশ্যই সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। আমরা চাই না সিরিয়া, ইরাক কিংবা আফ্রিকা থেকে ভিন্ন সংস্কৃতির কেউ এসে এদেশে সহিংসতা সৃষ্টি করুক।

অন্যদিকে হিলারি কঠোর অভিবাসন আইনের বিরুদ্ধে তার অবস্থান তুলে ধরেন। নব্বই মিনিটের এই তর্কের লড়াইয়ের রেশ দেখা যায় শেষ পর্যন্ত। একে অন্যের দিকে না তাকিয়েই বিতর্ক মঞ্চ ত্যাগ করেন দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.