নিজস্ব প্রতিবেদক::বন্দর নগরী চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা এক মাসের মধ্যে নিরসন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক হুমকি দিয়েছেন দেশের বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চাক্তাই খাতুনগঞ্জের আড়তদারেরা।
জরুরি ভিত্তিতে পরিকল্পিত ড্রেজিং ,চাক্তাই খাল পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, বন্দর থেকে নদী পথে পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থা চালু ,চাক্তাই এলাকা সংলগ্ন ট্রাক টার্মিনাল স্থাপন, মৌসুমি জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ ও খালে বর্জ্য ফেলা বন্ধসহ ৭ দফা দাবি জানান তারা ।
বুধবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে চাকতাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি সভাপতি সোলেমান বাদশা জানান,চাকতাই-খাতুনগঞ্জে অনাদিকাল ধরেই চট্টগ্রাম বানিজ্যিক নগরী। আজ দেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র চাকতাই- খাতুনগঞ্জ চরম অবহেলিত। আজ আমরা অস্তিত্বে সংকটে ।বৃষ্টির পানির জলাবদ্ধতা তো আছে ।সঙ্গে গত কয়েক বছর ধরে যোগ হয়েছে মৌসুমি জোয়ারের পানি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে ব্যবসায়ীদের শত কোটি টাকার মত পণ্য ক্ষতি হয়ে যায় । ফলে ব্যাংকের লোন শোধে ব্যবসায়ী ব্যর্থ হন । এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। ফলে সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দেশের অর্থনীতিতে। তিনি বলেন আমাদের ৭ দফা প্রাণের দাবি আগামী এক মাসের মধ্যে পূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে চাকতাই খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদেরকে সাথে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিবো । সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি সোলেমান বাদশা, সিনিয়র সহসভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন, সহসভাপতি মো. মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক এহসান উল্লাহ জায়েদী, সহসাধারণ সম্পাদক মো. আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক সজল মুহুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।
সমিতির পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর বাঁচাতে কর্ণফুলী নদীর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, পরিকল্পিত ড্রেজিং, শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ, বর্জ্য ফেলা বন্ধ, মৌসুমি জোয়ারের পানি ঢোকা বন্ধে নগর পরিকল্পনাবিদদের পরামর্শমতে পরিকল্পনা গ্রহণ, বন্দর থেকে নদীপথে পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা চালু, বন্দরে পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রতা নিরসন, সড়ক পথে পণ্য পরিবহনে অযাচিত ব্যয়সহ নানা জটিলতা নিরসন এবং চাক্তাই খাল এলাকায় নদীর পাড়ে একটি ট্রাক টার্মিনাল স্থাপনের দাবি জানানো হয়।
