কামরুল ইসলাম দুলুঃ সীতাকুণ্ড::পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন হাটে কোরবানীর পশুর বাজার বেশ জমে উঠেছে। এর আগে বাজার বসলেও ক্রেতার সমাগম তেমন একটি চোখে পড়েনি। অনেকেই বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষনে এসে আবার চলে যান। প্রতিদিনই উপজেলায় তিন-চারটি বাজার বসছে। কোরবানির দিন ঘনিয়ে আর মাত্র কয়েকদিন বাকী তাই উপজেলার প্রতিটি বাজারে ক্রেতাদের উপছে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সাথে সাথে বিক্রিও বাড়ছে বলে বাজার সূত্রে জানা গেছে।
সীতাকুণ্ডের ঐতিহ্যবাহী মহন্থর হাট, ফকির হাট, মদনহাট বাজারে গিয়ে দেখা যায় পুরো মাঠ জুড়ে রয়েছে গরু -ছাগল। দেশি-বিদেশি মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার গরু উঠে এই দুই বাজারে। মহন্থর হাটের ইজারাদার নাছির জানান, ফেনী, রামগড় ও কুমিল্লার কিছু অঞ্চল থেকে এই হাটে গরু এসেছে।
পাশাপাশি এ এলাকার বাজার গুলোতে ভারতীয় গরু ও আনছে বিক্রেতারা। প্রথম প্রথম গরুর দাম লাখ কিংবা লাখের উপরে হাঁকালেও বর্তমানে লাখের নিচে প্রায় গরুর দর নেমে আসায় ক্রেতাগণ নাগালের মধ্যে ক্রয় করতেছে গরু। আবার কাউকে দাম যাচাই-বাছাই করতেও দেখা গেছে। এবার বাজারে টাকা আসল-নকল যাচাই করার মেশিন থাকায় বিক্রেতাদের সুবিধা হয়েছে বলে বিক্রেতারা জানান। উপজেলার বড়দারোগারহাট, শেখেরহাট, মীরেরহাট, মুরাদপুর বাংলাবাজার, বাঁশবাড়ীয়া, কুমিরা, মাদামবিবিরহাট, ফৌজদারহাট ও ভাটিয়ারীতে গরুর হাট রয়েছে। এখানে প্রতিদিনই পশু বেচাকেনা হচ্ছে।
সীতাকুণ্ডে কোন অবৈধ বাজার বসছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, অবৈধ গরু বাজারের সংবাদ আমাদের কাছে নেই। বস্তুনিষ্ট তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। তবে প্রত্যেক বৈধ গরু বাজার গুলিতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার বিধান করা হয়েছে। যাতে ক্রেতাগণ নির্ভয়ে বাজারে গিয়ে গরু কিনতে পারেন ও বিক্রেতারাও যাতে নিরাপদে বিক্রয় করে টাকা পেতে পারেন।
এ বিভাগের আরও খবর
