সিটিনিউজ ডেস্ক:: নগরীর সানশাইন স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী তাসফিয়া আমিনের (১৬) লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আটক তার বন্ধু আদনানের বাসায় বুধবার মধ্যরাতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। নগরের দক্ষিণ খুলশীর জালালাবাদ আবাসিক এলাকায় আদনানের বাসায় এ অভিযানের সময় আদনানকে সাথে নিয়ে যায় পুলিশ।
অভিযানে আদনানের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। তার মোবাইলের কললিস্ট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, হোয়াইটসঅ্যাপসহ অন্যান্য অ্যাপসের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের তথ্য সংগ্রহ করেছে পুলিশ।
অভিযানের সত্যতা স্বীকার করে কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, তাসফিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদনানকে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে আদনান বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য দিয়েছে। আমরা বেশ কিছু বিষয়কে সামনে রেখে এগোচ্ছি। হত্যাকাণ্ডের তদন্তের স্বার্থে সবকিছু বলা সম্ভব না।
উল্লেখ্য, গত বুধবার সকালে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের ১৮ নম্বর ব্রিজঘাটের পাথরের ওপর এক তরুণীর লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। ওই লাশটি ছিল সানসাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া আমিনের।
এর আগের দিন মঙ্গলবার বিকেলে ঘর থেকে বের হয় তাসফিয়া আমিন। নগরীর গোল পাহাড়ের চায়না গ্রিলে বন্ধু আদনানের সাথে খাওয়া দাওয়া করে তাসফিয়া। পরে রাতে আর ঘরে না ফিরলে পরিবার খোঁজা শুরু করে তাসফিয়াকে।
লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর তাসফিয়ার পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার সন্ধ্যায় নগরের খুলশী থানার জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটি এলাকা থেকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আদনান মির্জাকে আটক করে। আটক আদনান মির্জা মেহেদিবাগস্থ বাংলাদেশ এ্যালিমেন্টারি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং ব্যবসায়ী ইস্কান্দার মির্জার ছেলে।
