জিয়ার ঘোষনাতেই মানুষ যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলঃ ডাঃ শাহাদাত
সিটি নিউজ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। শহীদ জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষনাই স্বাধীনতাকামী মানুষ যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল।
ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সরকারের নির্দেশে আদালত কর্তৃক সাজা দিয়ে দিনের পর দিন কারাগারে বন্দী করে রেখেছেন। সরকারি বহু তালবাহানার পর সেই মামলায় বেগম খালেদা জিয়া উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও সরকারি কারসাজিতে তার জামিন আটকে দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের কোন মামলায় জামিন দেওয়ার পর আপিল বিভাগ কারো জামিন স্থগিত করে এমন নজির বাংলাদেশে আর একটিও নেই।
তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার মামলাগুলো নিম্ন আদালতেই জামিনযোগ্য। অথচ এতে প্রমাণিত হয় সরকার সকল স্বাধীন প্রতিষ্ঠানকে নিজের কব্জায় এনে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে।
তিনি আরো বলেন, ভোটারশূন্য একটি নির্বাচন নিশ্চিত করতেই দুইশ বছরের পুরানো একটি ধ্বংসাবশেষ ঘরের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। স্যাঁত স্যাঁতে, জরাজীর্ণ, ধূলাবালিতে আক্রান্ত হয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সারাক্ষণ কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন।
হাত ও পায়ের প্রচন্ড ব্যথায় তার হাটাচলাতেও কষ্ট হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা জেনেও তাঁর উপর এই অবৈধ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে লালন করে কারাগারে আটকে রেখেছে যা অমানবিক ও মানবতাবিরোধী।
তিনি আজ সোমবার ( ৪ জুন) বিকেলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কোতোয়ালী থানা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯দফা কর্মসূচীর মাধ্যমে স্বনির্ভর একটি বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি।
কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর বিএনপির সহ সভাপতি হারুন জামান, উপদেষ্টা আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম, জাহেদুল করিম কচি, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি এম এ হাশেম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আরো বক্তব্য রাখেন গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ,
সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন নবীন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: সরওয়ার আলম, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক হাজী বেলাল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন কায়সার লাবু, আবদুল হালিম স্বপন, এ কে এম পেয়ারু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ডা: লুসি খান,
চকবাজার থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মুফিজ উল্লাহ, আলাউদ্দিন আলী নুর, আখতার খান, খন্দকার নুরুল ইসলাম, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছাদেকুর রহমান রিপন, সাব্বির আহমেদ, সৈয়দ আবুল বশর, আবু আহম্মদ মুহসিন, তৌহিদুর সালাম নিশাত, এম এ হালিম বাবলু, জসিম মিয়া, আবুল ফয়েজ প্রমুখ।
