কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে বেগম জিয়াকে মুক্ত করা হবেঃ নোমান

0

সিটি নিউজ ডেস্কঃ শান্তিপূর্ণ বাদ দিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কঠোর আন্দোলনের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেকমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান।

আজ শনিবার (৯জুন) নগরীর পাঁচলাইশ দি কিং অব চিটাগং এ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির ইফতার মাহফিলে তিনি একথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক লায়ন আসলাম চৌধুরীসহ বিএনপি নেতাককর্মীদের মুক্তির দাবিতে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি চাকসু ভিপি মো.নাজিম উদ্দিন।

নোমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দেশের স্বার্থে কোনদিন কারো সাথে আপোষ করেননি।বিএনপি চেয়ারপার্সনকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে কারগারে রাখা হয়েছে। আমাদেরকে আজ শপথ নিতে হবে। বেগম জিয়াকে যেকোনমুল্যে মুক্ত করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মো.নাছির উদ্দিন বলেন, আইনী লড়াই করে আমরা বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে পারবো না। কারণ সরকারের ইশারায় আদালত চলছে। সরকার বেগম জিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা করছে। যাতে জিয়া পরিবারের কেউ নির্বাচনে যেতে না পারে।

বেগম খঅলেদা জিয়া ছাড়া এদেশে কোন নির্বাচন হবে না। আমরা লিফলেট বিতরণ করোছি, শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছি। কিন্তু ওইসবে আর লাভ হবে না। কঠোর থেকে কঠোর হতে হবে। প্রয়োজনে আমরা নেতাকর্মীরা আত্মাহুতি দিবো। এখনই সময়ে এসেছে রাজপথে নামার। গণমিছিল করতে হবে। কারাগার ঘেরাও করতে হবে।

বিএনপি নেতাকর্শীদের উদ্দেশ্যে মীর নাছির বলেন, আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। আসুন রাজপথে নেমে পড়ি। কারণ আমরা জনগণের কাছে ধর্ণা দিবো। আমাদের কোন বিদেশি প্রভু নেই। আমরা কারো লেজুড়েবৃত্তি করি না। শীর্ঘই নতুন সূর্য উদিত হবে।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু তাহেরের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মো.নাছির উদ্দিন, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এম নাজিম উদ্দিন, বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জালাল উদ্দিন মজুমদার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ছিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, নগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান, উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি এম এ হালিম, অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী, আলহাজ্ব ছালাউদ্দিন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আমিন, নুর মোহাম্মদ, আজম খান, সেকান্দর চৌধুরী, আবদুল আউয়াল, অধ্যাপক জসীম উদ্দিন, ডা.খুরশিদ জামিল চৌধুরী,নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম রাসেল, সেলিম চেয়ারম্যান, কামাল পাশা,

সৈয়দ নাছির উদ্দিন, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, তফাজ্জল হোসেন,জাকির হোসেন, সোলায়মান মনজু, কুতুব উদ্দিন খান, হাসান মো.জসীম, জহুরুল আলম জহুর, সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান, মাহবুব ছফা, ইউসুফ নিজামী, আহসানুল কবির রিপন, মোবারক হোসেন কাঞ্চন, দিদার মিয়াজী, ফকির আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন, আবুল বাশার কমিশনার, হাসান মুকুল, মো.ছিদ্দিক, আতিকুল ইসলাম লতিফি, মো.মোরসালীন, ফজল বারেক, ফরিদা বেগম, নার্গিস আক্তার, জান্নাতুল ফেরদৌস, আমিনুল ইসলাম তৌহিদ, সাইফুদ্দিন সালাম মিঠু, আওরঙ্গজেব মোস্তফা, কে আলম, আজিজ উল্লাহ, মানুরুর রশিদ মামুন, আনিস আক্তার টিটু প্রমুখ।

হচ্ছে না।’

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.