সিটিনিউজ ডেস্ক:: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে শাহবাগ থানার পৃথক দুই মামলায় পাঁচ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার (৮ জুলাই) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক আসাদুজ্জামান নূর উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে রবিবার দুপুরে তথ্য-প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা সাইবার কাউন্টার টোরিজম ইউনিটের (পরিদর্শক)রফিকুল ইসলাম পাঁচ দিনের রিমান্ড শুনানি শেষে ফের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্যবিদ্যালয়ের উপাচার্যের (ভিসি) বাসভবন ভাঙচুরের ঘটনায় রাশেদকে গ্রেফতার দেখিয়ে মামালর তদন্তকারী কর্মকর্তা ফজলুর রহমান (পরিদর্শক) ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক প্রত্যেক মামলায় পৃথকভাবে পাঁচ দিন করে ১০ দিন রিমান্ড মন্জুর করেন।
আদালতে শাহবাগ থানার সাধরন নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মাহমুদুর রহমান এস তথ্য জানান।
এর আগে গত ২ জুলাই রাশেদকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠান ঢাকা মহামগর হাকিম আদালতের বিচারক রায়হানুল ইসলাম।
আসামির আইনজীবী জাহিদুর রহমান জাহিদ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।
গত ১ জুলাই সকালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক আল-নাহিয়ান খান জয় বাদী হয়ে শাহাবাগ থানায় তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করেন।এজাহারে আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন,রাশেদ খান ফেসবুক লাইভে এসে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করেছেন। এছাড়া ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আসছিলেন।
এজাহারে আরও বলা হয়,রাশেদ নিজে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তাকে তুলে নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন। এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ করায় জনমনে ভীতি ছড়িয়েছে।
গত ৮ এপ্রিল রাত ১টার দিকে এক থেকে দুই হাজার বিক্ষোভকারী ভিসির বাসভবনে প্রবেশ করে। তারা মূল গেট ভেঙে ফেলে এবং দেয়ালের তারকাঁটা ভেঙে বাসায় ঢুকে পড়ে। তাদের হাতে রড, হকিস্টিক, লাঠি ও বাঁশ ছিল। এছাড়া বাসভবনের আশপাশেও একাধিক মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনায় গত ১০ এপ্রিল ভিসির বাড়িতে হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
