চট্রগ্রাম অফিস : চট্রগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার বাংলাবাজার পূর্বাচল এলাকায় নেংটা মামার মাজারের পীর ও খাদেমকে দিনদুপুরে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার এসএম তানভির আরাফাত জানান হত্যাকাণ্ড তদন্তে সিএমপির পুলিশ ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা না গেলেও আব্দুল মান্নান মনা নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, ‘বিষয়টির মোটিভ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে মাজারবিরোধী গোষ্ঠীর কেউ এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ স্থানীয়দের মতে পীরের কোনো শত্রু থাকার কথা নয়। পুলিশ মাজার থেকে একটি লাল-সবুজ-কালো গেঞ্জি উদ্ধার করেছে। এতে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে যুবকটি গেঞ্জি পাল্টে চলে যায় বলে ধারণা করছি।’
গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর ‘লেংটা মামার মাজার’ নামে পরিচিত মাজারের পীর রহমত উল্লাহ প্রকাশ লেংটা মামা (৫২) ও খাদেম আবদুল কাদেরকে (২৫) দিনদুপুরে জবাই করে হত্যা করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় লোকজন তাকে ধাওয়া করলে তিনি দুটি হাতবোমা ফাটায়। এতে বোমার স্প্লিন্টারে মো. মনির (২৬) ও মুন্না (১২) আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
আহত মনির জানিয়েছেন, ‘জুমার নামাজ শেষে বাসায় ফেরার সময় এক যুবককে ছুরি ও একটি ব্যাগ হাতে হেঁটে আসতে দেখি। ওই যুবকের বয়স ২৭-২৮ বছর এবং তার পরনে ছিল প্যান্ট ও লাল গেঞ্জি। লোকজন তখন চোর চোর বলে চিৎকার শুরু করলে ওই যুবক পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় রাস্তার মধ্যে তাকে আমি জাপটে ধরতে গেলে সে ব্যাগ থেকে বের করে পর পর দুটি ককটেল ফাটায়।’
