নিজস্ব সংবাদদাতা,সিটি নিউজ : চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চন্দনাইশ এলাকায় পৃথক পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চালকসহ ২০ জনের অধিক আহত হয়।
গত ২১ আগস্ট সকালে উপজেলার হাশিমপুর বড়পাড়া পাঠানীপুল এলাকায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৫ জন যাত্রী আহত হয় বলে জানা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, বড়পাড়া পাঠানীপুল এলাকায় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রাম অভিমুখী মার্শা পরিবহন, কক্সবাজার অভিমুখী একটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় উভয় বাসের কমপক্ষে ১৫ জনের অধিক যাত্রী আহত হয়।
এদের মধ্যে দোহাজারী হাসপাতালে সাতকানিয়ার চর-খাগরিয়া এলাকার শামসুল ইসলামের ছেলে মো. আলমগীর (৩২), আবদুল আজিমের ছেলে শামসুল ইসলাম (৪৩),মাহবুবুর রহমান (৫৩), কালিয়াইশ ইউনিয়নের মরিয়ম বেগম, মলেয়াবাদ এলাকার হাজী ফজল করিমের ছেলে মো. সাইফুদ্দিন (৩৯), নলুয়া ইউনয়নের আবদুল খালেদের স্ত্রী তসলিমা বেগম (৩৫), হামিদ চৌধুরীর শিশু কন্যা তানিশা (৫) ও শিশু পুত্র নাবেল (৮), চন্দনাইশ দোহাজারী দিয়াকুল মাস্টারপাড়ার বিমল দাশের ছেলে তপন দাশ (৩২), বান্দরবানের লামা সুত্রবাড়ীর মো. হানিফের ছেলে আবদুল রাজ্জাক (২৬), গাজীপুর দক্ষিণ বাইপাটি এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে রতন মিয়া (৩৩)সহ অন্যান্যদের চিকিৎসা দেয়া হয়। আহতদের মধ্যে মো. আলমগীর (৩২) গত ১ সপ্তাহ পূর্বে অপর একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চমেক হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে পুনরায় দূর্ঘটনায় শিকার হয়। আহতদেরকে দোহাজারী হাসপাতাল ও অন্যান্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। আহত আলমগীরকে পুনরায় চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
অপরদিকে দুপুরে একই সড়কের বাইন্যা পুকুর পাড় এলাকায় নম্বরবিহীন পিক-আপ ও যাত্রীবাহীবাস চ্যালেঞ্জের (চট্ট.মেট্রো.জ-১১-১১৪৮) মুখোমুখি সংঘর্ষে পিক-আপের চালক, যাত্রী ছৈয়দাবাদের সফিউল আলমের স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগম (৪৫), পটিয়া কেলিশহরের শ্যামল দে’র স্ত্রী রিংকু দে (৩০), রাজশাহীর এবাদুর হকের ছেলে হাদিমুল হক (৪০), শীলঘাটার কামাল হোসেনের ছেলে মো. ইব্রাহীম (১৭),বোয়ালখালির মৃত রফিক আহমদের ছেলে মো. ইসমাইল (৬০) আহত হয়। আহতদের মধ্যে পিক-আপ চালককে চমেক হাসপাতালে, অন্যান্যদেরকে চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়। দূর্ঘটনার খবর পেয়ে দোহাজারী হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দূর্ঘটনা কবলিত ৩টি বাস ও পিক-আপ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। হাইওয়ে থানার ওসি মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
