জাহেদুল হক,আনোয়ারা : ঈদুল আযহার ছুটিতে অগণিত পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে আনোয়ারার পারকি সমুদ্র সৈকত। ঈদের আনন্দকে পরিবারের সাথে ভাগাভাগি করতে মিনি কক্সবাজার খ্যাত পারকি সৈকতে এখন হাজার হাজার পর্যটকের ভিড়। দেশ-বিদেশের ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের বিচরণে সৈকতে এখন আনন্দময় পরিবেশ বিরাজ করছে। এতে হোটেল-রিসোর্ট ছাড়াও সব ধরনের ব্যবসায় ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য। পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশরাও দায়িত্ব পালন করছে।
সরেজমিন দেখা গেছে,দূর-দূরান্ত থেকে পরিবার-পরিজন,বন্ধু-বান্ধবসহ নানা বয়সী মানুষ বাস,মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন ধরনের ছোট-বড় যানবাহনে করে পারকি সৈকতে বেড়াতে আসছেন। তবে নির্দিষ্ট গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় আগত পর্যটকরা সড়কের ওপর গাড়ি পার্কিং করেছেন। এতে অনেক সময় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
এদিকে যানজট নিরসনে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এম এ কাইয়ুম শাহ্ দীর্ঘক্ষণ ট্রাফিকের ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে। নগর জীবনের যান্ত্রিকতা থেকে দূরে এসে সাগর পাড়ের বালিয়াড়িতে আনন্দে মেতে উঠেছে ভ্রমণপিপাসু পর্যটকরা। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে নানাভাবে সাজানো হয়েছে সৈকত এলাকা। পরিবার নিয়ে পারকি সৈকতে এসে ভাল লাগার কথা জানান অনেকে।
ঢাকা থেকে স্বপরিবারে বেড়াতে আসা পর্যটক আসিফ নেওয়াজ জানান, কোরবানির ঈদের ছুটিতে পারকি বেড়াতে এসে খুবই আনন্দ লাগছে। এখানে না আসলে বুঝা যাবেনা এই সমুদ্র সৈকত কত সুন্দর।
জেলা সৈকত ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও বারশত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ কাইয়ুম শাহ্ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবা প্রদানে প্রশাসনের পাশাপাশি সৈকত এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছৈয়দুল মোস্তফা জানান,সৈকতে পর্যটকদের নির্বিঘেœ চলাফেরা এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। এছাড়া পর্যটকদের নিরাপত্তায় সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সমুদ্র সৈকত এলাকায় নারী পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
