আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হাঙ্গেরি হয়ে শরণার্থী নেওয়ার সাময়িক প্রক্রিয়া ‘বন্ধ করতে’ যাচ্ছে অস্ট্রিয়া। দেশটির চ্যান্সেলর ওয়ার্নার ফেম্যান জানিয়েছেন, শরণার্থী গ্রহণের এই জরুরি ব্যবস্থা ধাপে ধাপে বাতিল করা হবে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।
সম্প্রতি গ্রিক সৈকতে এক সিরীয় শিশুর লাশের ছবি নিয়ে তোলপাড়ের পর হাঙ্গেরিতে প্রবেশ করা শরণার্থীদের নেওয়ার ঘোষণা দেয় জার্মানি ও অস্ট্রিয়া। এরপরই গত তিন দিন ধরে দেশ দু’টিতে হাজার হাজার শরণার্থী প্রবেশ করছে।
শরণার্থী ইস্যু নিয়ে গত রবিবার জার্মান চ্যান্সেলর এ্যাঙ্গেলা মার্কেল ও হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অর্বানের সঙ্গে ফোনলাপ করেন ফেম্যান। এ আলোচনার পরই তিনি বিবৃতি দেন।
বিবৃতিতে ফেম্যান বলেন, ‘আমরা সবসময়ই বলে আসছি জরুরি মুহূর্তে আমরা দ্রুত ও মানবিক আচরণ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে ১২ হাজারেরও বেশি লোককে সহায়তা করেছি। এখন আমরা ধাপে ধাপে জরুরি ব্যবস্থা ছেড়ে স্বাভাবিক অবস্থার দিকে ফিরে যাব।’
এদিকে জার্মানির পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে তারা শরণার্থীদের সহায়তা করতে আগ্রহী, তবে তা যেন ‘অতিরিক্ত’ না হয়।
ওদিকে গত রবিবার জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার মানবাধিকার কর্মীদের অনেক গাড়ি হাঙ্গেরি সীমান্তের দিকে রওয়ানা হয়েছে। গাড়িগুলোতে শরণার্থীদের মাঝে বিতরণের জন্য খাদ্য নেওয়া হয়েছে।
