নিজস্ব প্রতিবেদক :: সমাজসেবক রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব ফরিদ মাহমুদ বলেছেন, সকল ধর্মের অধিকার সুরক্ষায় মহাজোট সরকার সংকল্পবদ্ধ। অসম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাস আওয়ামী লীগ সকল দূর্যোগ, ক্রান্তিকাল, পটপরিবর্তনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ আমলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় অধিকতর নিরাপদ। সম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ, তৎপরতা রুখতে আওয়ামী লীগকে পুনরায় ক্ষমতা আনতে হবে।
সার্বজনীন শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর থানা পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও তার আওতাধীন মন্ডপ কমিটি (আ লিক কমিটি) সমূহের এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
“জনতার তরে, জনতার ঘরে’’ কর্মসূচীর আওতায় নগরীর ঈদগাহ্ বউবাজারস্থ দুলহান কমিউনিটি সেন্টারে এক মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ডবলমুরিং থানা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি বাবু তমাল শর্মা চৌধুরী।
হালিশহর থানা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সহ-সভাপতি বাবুল দাশের পরিচালনায় আলোচনায় অংশ নেন ৯নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এরশাদ মামুন, নগর যুবলীগ সদস্য নেছার আহমেদ, শেখ নাছির আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন দেলু, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য হুরে আরা বিউটি, যুবনেতা এম.এ. হাশেম বাবু, মহানগর পূজা পরিষদের নেতা স্টালিন দে, পাহাড়তলী পূজা উদ্যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লিটন কান্তি সরকার, হালিশহর থানা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি লিকন দেবনাথ, সহ-সভাপতি খোকন দেবনাথ, ডবলমুরিং থানার সহ-সম্পাদক সুজন পাল, পূজা মন্ডপ কমিটি বা আ লিক কমিটির পক্ষে ডা: সুমন তালুকদার।
মতবিনিময় সভায় আলহাজ্ব ফরিদ মাহমুদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামে আখতারুজ্জামান, এম.এ. মান্নান, বাদামতলী, দেওয়ানহাট মোট চারটি ফ্লাইওভার নির্মাণ করেছেন। শেখ হাসিনা ও মোহরা পানি শোধানাগার, ট্রান্সমিটার পাইপ লাইন ওয়াটার ব্রীজের কাজ সমাপ্তির পথে। জলাবদ্ধতা নিরসন ও নিষ্কাশন এবং খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, কর্ণফুলী টানেলের কাজ দ্রুত চলছে। বাকলিয়া এক্সপ্রেস রোড, চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড, চাক্তাই খাল হতে কালুরঘাট, ফিরিঙ্গীবাজার হতে চাক্তাই, পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট, মেরিন ড্রাইভ রোডের কাজও সমাপ্তির পথে।
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, দোহাজারী হতে কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ, ভাটিয়ারিতে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, মুসলিম হল হতে ডিসি হিল পর্যন্ত ফ্লাইওভার সহ পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণ, ভেটেরনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণ, মীরসরাই স্পেশাল ইকোনমিক জোন, বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের উন্নয়নন ও অনুষ্ঠানকাল সম্প্রসারণ, অনন্যা ও রাজাখালী আবাসিক এলাকার মতো মেগা প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন চলছে। চট্টগ্রামের জন্য এতো কাজ করার পর আমাদের সকলের উচিত বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে তাঁর কাজের প্রতিদান দেওয়া।
সভায় বক্তাগণ বলেন, শারদীয় দূর্গোৎসব যাতে সফলভাবে সম্পন্ন হয় প্রশাসনের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা সক্রিয় থাকবে। ৩টি থানা সহ ২৫টি পূজা মন্ডপগুলো যথাক্রমে- শ্রীশ্রী দেওয়ানেশ্বরী সার্বজনীন কারী বাড়ী, মুগলটুলী পূজা উদ্যাপন পরিষদ, গোসাইলডাঙ্গা একতা গোষ্ঠী, দক্ষিণ আগ্রাবাদ ছোটপুল পূজা পরিষদ, নন্দন মহাজন বাড়ী পূজা পরিষদ, গীতা মন্দির কমপ্লেক্স, অমূল্য সওদাগর বাড়ী পূজা পরিষদ, শ্রীশ্রী গীতা সংঘ পরিষদ, ভোলানাথ কুঠির পূজা পরিষদ, মহামায়া পূজা পরিষদ, জুয়েল ক্লাব পূজা পরিষদ, দূর্গা মন্দির পূজা পরিষদ, সারস্বত কুঠির সম্প্রদায় দূর্গা মন্দির, জেলাপাড়া কালী মাতা ঠাকুরাণী পূজা পরিষদ, দেবেন্দ্র মাস্টার বাড়ী পূজা পরিষদ, বনিক পাড়া পূজা পরিষদ, সপ্তরূপা সার্বজনীয় পূজা পরিষদ, দূর্গাপাড়া পূজা পরিষদ, পেয়ারী মোহন দাশবাড়ী পূজা পরিষদ, উত্তর নাথ পাড়া পূজা পরিষদ, শীলপাড়া পূজা পরিষদ, হরিমন্দির পূজা পরিষদ, মহামায়া সংঘ পূজা পরিষদ, বন্ধন যুব গোষ্ঠী পূজা পরিষদ, নিত্যানন্দ মহাজন বাড়ী পূজা পরিষদ।
নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা জহির উদ্দিন সুমন, রাশেদ চৌধুরী, আনিসুর রহমান মামুন, সৈয়দ মোহাম্মদ জনি, ইয়াছিন ভূঁইয়া, মো: নুরুজ্জামান, শাহেদুল ইসলাম, মো: দিদারুল ইসলাম, মন্ডপ কমিটির নেতা নুপুর চৌধুরী, বিটু ধর, সুজন দাশ, সিপন চৌধুরী, রূপন মজুমদার, রঞ্জিত নাথ, অমল কৃষ্ণ নাথ, স্বপন কুমার নাথ, মতিলাল নাথ, সাধন শীল, জোসেফ বৈদ্য, রূপন শীল প্রমুখ।
