জুবায়ের সিদ্দিকীঃ অসময়ে আওয়ামী লীগ। দুঃসময়ে বিএনপি। ভালো নেই জাতীয় পার্টিও। অন্যান্য দলগুলোর নেই কোন প্রাণ। রাজনীতি এখন পার করছে দুঃসময়। হ্যাটট্রিক করার সময়ে এসে বিপর্যয়ে রয়েছে। ছাত্রনেতারা চাঁদাবাজীর অভিযোগে পদ হারাচ্ছেন।
ক্যাসিনো নিয়ে ব্যাস্ত যুবলীগের শীর্ষ নেতারা। প্রশাসনেও বালিশ-পর্দাসহ নানা কেলেংকারীতে জড়িয়েছে। প্রধামন্ত্রীকে এসব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। জামাত-বিএনপি ও জাতীয় পার্টি থেকে আসা কিছু আগাছা আওয়ামী লীগকে গিলে খাচ্ছে। ত্যাগী নেতারা ছিটকে পড়েছে ক্ষমতার বলয় থেকে।
শামীম থেকে মাসোহারা নিতেন বিএনপির শীর্ষ নেতারাও। আটক টাকার কুমির শামীমের মোবাইল কল লিষ্টে ক্ষমতাসীন দলের ছয় মন্ত্রি, সম্্রাট, খালেদ, জিসানের ক্যাসিনো সিন্ডিকেট। শামীমের টেন্ডার-চাঁদাবাজী ছিল জিসানের নিয়ন্ত্রনে।
শামীমের গডফাদার ছিলেন মির্জা আব্বাস। রাজনীতি এখন জুয়াতে ভাসছে। জনপ্রতিনিধি অনেকেই এখন উল্টা পাল্টা কথা বলছেন। তাদেরকেও এখন আইনের আওতায় আনা জরুরী।
