জুবায়ের সিদ্দিকী, সিটি নিউজঃ সারাদেশে সাধারণ নির্বাচন অথবা স্থানীয় নির্বাচন সব ক্ষেত্রে একতরফা ভোট, ভোটের আগের দিন সিল মেরে বাক্স ভর্তি, ভোটারের উপস্থিতির আগেই ভোট গ্রহণ শেষ, ইভিএমে ভোটার চিনতে বিড়ম্বনার নানা গল্পের সৃষ্টি হওয়াতে নির্বাচন ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থা হারিয়েছে ভোটাররা। এরফলে বেশ কয়েকটি নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি যেমন কমেছে, তেমনি ভোট কাষ্টিংয়ের হার ঠেকেছে তলানীতে।
নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় নানারকম অনিয়ম ও ত্রুটির কারনে ভোটারদের ভোট ব্যবস্থাপনার প্রতি এক ধরনের অনিহার কারনে এই পরিস্থিতির সৃস্টি হয়েছে বলে মনে করেন নির্বাচন বিশ্লেকরা। সাধারণ ভোটাররা এখন মনে করছেন, ভোট দিলেও যে ফল হবে, না দিলেও তাই হবে। এমনকি আওয়ামী লীগের সমর্থক সাধারণ ভোটাররাও মনে করেন, ভোট দিতে না গেলেও তাদের প্রার্থী বিজয়ী হবে।
এ কারনে তাদেরও ভোটের প্রতি এক ধরনের অনীহা তৈরী হয়েছে। যদিও এটা ভাল লক্ষণ নয়। চট্টগ্রামেই বিগত নির্বাচনগুলো প্রত্যক্ষ ও সরেজমিনে সংবাদকর্মী হিসেবে পরিদর্শনে এই ধরনের অনিয়ম চোখে পড়েছে। যারা যোগ্য নয়, তারাও হয়ে গেছেন জনপ্রতিনিধি।
পরবর্তীতে এরা দায়িত্ব পেয়ে সে দায়িত্বকে বাণিজ্যিককরণ করে কোটি কোটি টাকার মালিক ও সম্পদের মালিক বনে যাওয়া প্রত্যক্ষ করেছেন জনগণ। অনেক আগাছা ও সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিও পদ-পদবী পেয়েছেন চৌদ্দ নম্বরী করে। এর ভাল কোন দিক নেই সমাজের ও রাষ্ট্রের জন্য।
একজন আইনজীবি জানালেন, যোগ্যতা নয়, চৌদ্দ নম্বরীরাই পায় পদ-পদবী পায়।
