চট্টগ্রামের সব প্রবেশ মুখকে দৃষ্টিনন্দন করে সাজিয়ে তোলা হবেঃ সুজন
সিটি নিউজঃ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, এক সময় প্রাচ্যের রাণী হিসেবে পরিচিত ছিল এই চট্টগ্রাম। পাহাড়, সাগর, নদী এ তিনের সমন্বয়ে চট্টগ্রাম হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি। মূলত অপরিকল্পিত নগরায়ন, শহরমুখী মানুষের স্রোত, অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ এবং যেখানে-সেখানে শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠার ফলে চট্টগ্রাম নগরী তার সৌন্দর্য হারিয়েছে। সেবা সংস্থা সমূহের সমন্বয়হীনতার কারণে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বিত হয়েছে। এরপরও বতর্মান চট্টগ্রামে মানুষ প্রাণ খুলে নিশ্বাস নিতে পারছে, ঘটেছে সবুজের সমারোহ।
তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে প্রাকৃতিক পরিবেশ সমৃদ্ধ এ ধরনের শহর পৃথিবীতে বিরল। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চট্টগ্রাম নগরকে সাজানোর লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক গৃহীত চট্টগ্রামে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে ও চসিকের সবুজায়ন প্রকল্পে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সড়কমোড়কে পরিবেশ সম্মত, সুদৃশ্য, দৃষ্টিনন্দন উন্নীত করা হয়েছে। নগরবাসী এখন নির্মল ও দৃষ্টিনন্দন বিনোদন কেন্দ্রের সন্ধান পাবে।
প্রশাসক আরো বলেন, চট্টগ্রামের সব প্রবেশ মুখকে দৃষ্টিনন্দন করে সাজিয়ে তোলা হবে। বদলে যাবে চট্টগ্রাম শহরের পরিবেশ। এই শহরে বাইরের পর্যটক বা কোন মানুষ প্রবেশ করার সাথে সাথে বুঝতে পারবে এইটা চট্টগ্রাম নগরী। দরকার শুধু সদিচ্ছা। সদিচ্ছা অন্তরে থাকলে চট্টগ্রাম প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য্যের নগরী হবে।
আজ রবিবার বিকেলে নগরীর সিমেন্ট ক্রসিং থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্বের সৌন্দর্যবর্ধন কাজ পরিদর্শনকালে প্রশাসক এসব কথা বলেন। তিনি রাস্তার উভয় পাশ ও মিডআইল্যান্ডের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য আরো বেশি বাহারী ফুলের গাছসহ বিভিন্ন গাছের চারা রোপন ও দৃষ্টিনন্দন করে ফুটিয়ে তোলার জন্য চসিকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি এ কে এম রেজাউল করিমকে নির্দেশ দেন।
এ সময় প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ার হোছাইন, আবু ছালেহ, নির্বাহী প্রকৌশলী অসিম বড়ুয়া, ৪১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম, মো. সেলিম, সমীর মহাজন লিটনসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
