জুবায়ের সিদ্দিকী, সিটি নিউজঃ অনেকটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে নিউ মার্কেট-কোতোয়ালী- নতুন ব্রিজ রুটে চলাচলকারী প্রায় ৪শ অটো টেম্পু। চালকসহ ৬ জন বসার রুট পারমিট থাকলেও ১০ জন নিয়ে চলে এই অটো টেম্পুগুলো।
একশ গাড়ীর পারমিট থাকলেও চলে তিনশর উপরে । ট্রাফিক পুলিশের সার্বিক সহযোগীতায় চলে এসব অটো টেম্পু সিএনজিগুলো। নতুন ব্রিজ টাইাগার পাস পর্যন্ত ১শ গাড়ীর রুট পারমিট রয়েছে। কিন্তু গাড়ীগুলো কখনো টাইগারপাস পর্যন্ত যায়না। জিপিও পর্যন্ত গিয়ে পুরো ভাড়া নিয়ে নেয়।
পুলিশকে মাসোহারা মাধ্যমে চলে অবৈধভাবে ৩শত অটো টেম্পুগুলো। নতুন ব্রিজ থেকে টাইগার পর্যন্ত ভাড়া ৭ টাকা থাকলেও জিপিওতে নামিয়ে দিয়ে ১০ টাকা ভাড়া নিয়ে নেয়। এমনকি কোতোয়ালী, ব্রিজ ঘাট, পুরাতন ফিসারী ঘাট নামলেও ১০ টাকা ভাড়া নিয়ে নেয়। এ নিয়ে প্রতিনিয়ত যাত্রীদের সাথে চালকের বাড়া নিয়ে বাড়াবাড়ি লেগেই থাকে।
নতুন ব্রীজে দায়িত্বরত এক ট্রাফিক ইন্সপেক্টরের গাফিলতিতে টেম্পুগুলো যেখানে সেখানে পার্কিংসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে আছে। কোতোয়ালী মোড়ে সমিতির নামে প্রত্যেক অটোটেম্পু থেকে ২০ টাকা করে লাইন ভাড়া নেয়। এ জন্য সেখানে ২ জন কালেক্টর নিয়োজিত রয়েছে। নতুন ব্রিজ এলাকায় লাইনম্যানের চাঁদা প্রতিদিন ২০ টাকা করে নেওয়া হয়। প্রতিমাসে গাড়ীর মালিকের কাছ থেকে নেওয়া হয় ৩ হাজার টাকা।
এছাড়া কোতোয়ালী মোড়ে বেশ কয়েকজন বড়ভাইও রয়েছে। ২০ টাকা না দিলে কোতোয়ালী থেকে কোন যাত্রী গাড়ীতে নিতে দেয় না তারা। আবার কোতোয়ালী মোড় থেকে নতুনব্রিজগামী অন্যান্য কোন বাস, লেগুনাতে কোন যাত্রী তুলতে দেয় না। তাদের হাতে ৫০ টাকা গুজে দিলেই যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারে।
স্থানীয় এক শ্রমিক নেতা জানান, পুলিশকে ম্যানেজ করে রুটটি নিয়ন্ত্রণ করেন শ্রমিক নেতা জানে আলম ও জাহেদ। এব্যাপারে জানে আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
