রাজনীতির আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক সুজন

0

জুবায়ের সিদ্দিকীঃ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের অধ্যায় শেষ। সুজনের উত্থান যেন হঠাৎ আলোর ঝলকানির মতো। দেশে করোনার কারনে নির্বাচন পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল। অন্যদিকে নাছিরের মেয়াদ শেষ। অনেকেই মনে করেছিলেন, পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত নাছিরই থাকবেন। এ ধরনের উদাহরন অতীতে ছিল। নাছির যে কারনে দ্বিতীয়বার মনোনয়ন পাননি। ঠিক একই কারনে মেয়াদের পরও থাকতে পারলেন না। ৬ আগষ্ট চসিকে প্রশাসক নিয়োগ দেন। এখানেও চমক দেখান শেখ হাসিনা।

চট্টগ্রামের ত্যাগী, পরিশ্রমী, সাহসী, পরীক্ষিত এবং সংগ্রামী নেতা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজনকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। সুজন ’৭৫ পরবর্তী আওয়ামী লীগের রাজপথের এক সাহসী যোদ্ধা। যিনি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও কিছুই পাননি। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে বার বার নির্যাতিত হয়েছেন। পুলিশী হামলা ঠেকাতে মিছিল নিয়ে রাজপথে জামাতে নামাজ পড়ে আন্দোলনের কৌশল দেখিয়ে নেতাকর্মীদের হামলা-মামলা থেকে রক্ষা করেছেন।

মাত্র ৬ মাসের কম সময় দায়িত্ব পালন করেছেন সুজন। এই সময়ের মধ্যে অনেক সম্ভাবনার স্বাক্ষর রেখেছেন। কর্পোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত করতে তার ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। মহানগরীর উন্নয়নে সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

স্বল্প সময়ে তিনি তার যোগ্যতা প্রমান করেছেন। আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডও তার ৬ মাসের কাজে প্রশংসা করেছেন। এখন সুজনের গন্তব্য কোথায় যাবে। নতুন কোন এসাইন্টমেন্ট পাবেন, নাকি এই সান্তনার পুরস্কারই শেষ হবে তার প্রাপ্তির খাতা। নাকি আগামী সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত তাকে অপেক্ষা করতে হবে। নগর আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ প্রাপ্তিও কি হতে পারে। চট্টগ্রাম আাওয়ামী লীগে এটা এখন টকিং পয়েন্ট।
সিটি নিউজ/জস

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.