নাগরিক দুর্ভোগ লাঘব-স্বস্থি প্রদানে আমি দৃঢ় প্রত্যয়ীঃ মেয়র

0

সিটি নিউজঃ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরী আজ শনিবার সকালে চান্দগাঁও ওয়ার্ডের নতুন থানা চত্বরে তাঁর মেয়াদকালীন সময়ের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে প্রতিশ্রুত জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানকল্পে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উদ্যোগ বাস্তবায়ন কার্যক্রম সূচনা করেন।

এসময় তিনি বলেন, নগরবাসীর প্রত্যক্ষ ভোটে মেয়র পদে ৫ বছরের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেও এই সময়ের মধ্যে সকলের শতভাগ আকাক্সক্ষা ও চাহিদা পূরণ কখনও সম্ভব নয়। এই বাস্তবতার প্রেক্ষিতে অধিকতর জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ১০০ দিনের মধ্যে সেগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করে জনদুর্ভোগ লাঘব ও নাগরিক স্বস্থি প্রদানে আমার সামর্থ্য ও সিটি কর্পোরেশনের সক্ষমতা উজার করে দিতে দৃঢ় প্রত্যয়ী।

এই কার্যক্রমে মশকনিধন ও পরিচ্ছন্নতাকে প্রথম অগ্রাধিকার দিয়ে উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণা দিয়ে বলেন, মশার বিস্তার নাগরিক দুর্ভোগ ও অস্বস্থির বড় অসহনীয় উপসর্গ। তাই তা নিরসনে প্রথম ২০ দিনের মধ্যে সময় বেধে দিয়ে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডকে কয়েকটি জোনে ভাগ করে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হবে।

তিনি এই অভিযানে স্বপ্রণোদিত হয়ে নগরবাসীদের সম্পৃক্ত হবার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সিটি কর্পোরেশন মশক নিধনের ওষুধ ছিটাবে এবং প্রকাশ্য স্থান ও নালা-নর্দমার স্তুপকৃত আবর্জনা, বর্জ্য পরিস্কার করবে। কিন্তু শুধু এভাবেই মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা সম্ভব নয়। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নাগরিক সচেতনতা। নিজ গরজেই বাসা-বাড়িতে মশক প্রজনন ও উৎপত্তিস্থল বিনাশ এবং বর্জ্য-আবর্জনা সরিয়ে ফেলে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেরতে হবে।

তিনি সতর্ক করে দেন কেউ নালা নর্দমায় বা খালে ও পানি চলাচলের পথে পলিথিন ও প্লাস্টিক,বর্জ্য-আবর্জনা ফেলতে পারবেন না। ফেললে এটা হবে দন্ডনীয় অপরাধ। মনে রাখতে হবে সিটি কর্পোরেশন শুধু মেয়রের একার নয়, প্রত্যেক নগরবাসীর।

তিনি উল্লেখ করেন, মশক নিধনে সিটি কর্পোরেশনগুলো যে ওষুধ ছিটায়,সেগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মশার এই ওষুধের মান নির্ণয়ে তা ঢাকায় ল্যাবে পাঠিয়ে যাচাই-বাছাই করা হবে। মেয়র আরো বলেন, নগরীর অনেক সড়ক যান ও জনচলাচল অনুপযোগী। এগুলো এক সাথে সংস্কার বা মেরামত করা সম্ভব নয়। যেগুলোর বেশি বেহাল অবস্থা, সেগুলো আগে-ভাগে মেরামত ও খানা-খন্দক ভরাট করা হবে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর রক্ষণাবেক্ষন ও সক্ষমতা, ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য উন্নত-প্রকৌশলগত পরিকল্পনা প্রয়োজন। তাই ধৈর্য্য ধরতে হবে।

তিনি নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, কোন সমস্যার সমাধান রাতারাতি হবে না। তবে সমস্যা সমাধানে আমি উদ্যোগী এবং সচেষ্ট। যে কোন নাগরিক সমস্যা বা দুর্ভোগ থাকলে তা আমাকে অবগত করা হলে তা নিরসন ও লাঘবে তাৎক্ষণিক কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সিটি নিউজ/ডিটি

 

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.