পটিয়া প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের পটিয়ার উপজেলার কুমুমপুরা ইউনিয়নে ২ নং ওয়ার্ডের পানওয়ালা পাড়ায় গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা আবুল কালাম (৫৩) নিহত হয়েছে।
এ ঘটনায় চাচী ফাতেমা বেগম (৩৮) গুরুত্বর আহত হয়ে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলাচলের জায়গায় একটি ঝুড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে চাচা আবুল কালাম ও তার বড় ভাই আবু মুছার সাথে কথা-কাটা-কাটির এক পর্যায়ে নিহতের বড় ভাইয়ের ছেলে সৌরভ (২৫) চাচা আবুল কালামকে উপর্যুপরি বুকে পেটে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম বাধা দিলে তাকেও একই ভাবে ছুরিকাঘাত করে ঘাতকরা সপরিবারে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা আবুল কালামকে মৃত ঘোষণা করে ও নিহতের স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিহত আবুল কালাম মৃত আহমদ জালালের পুত্র।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দীন তালুকদার বলেন, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে ছোট ভাই আবুল কালামের সঙ্গে বড় ভাই আবু মুসার বিরোধের জের ধরে বুধবার দুপুরে কথা কাটা-কাটির এক পর্যায়ে আবুল কালামের বুকের ডান পাশে ও স্ত্রী ফাতেমা আক্তারকে ছুরিকাঘাত করে। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবুল কালামকে মৃত ঘোষণা করে ও নিহতের স্ত্রী আহত ফাতেমা আক্তার গুরুতর আহত। মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম তাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে বসতভিটার চলাচলের জায়গায় একটি ঝুড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকান্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় ঘাতকের পুরো পরিবার পালিয়ে গেছে। আমরা কাউকে আটক করতে পারিনি। তবে এখনো পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। তবে লাশ চমেক হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য রয়েছে বলে জানান।
সিটি নিউজ / এসআরএস/ এসডি
