লকডাউনঃ ঢাকায় দোকান খোলার দাবীতে বিক্ষোভ, চট্টগ্রামে যানজট
সিটি নিউজঃ করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। করোনা মোকাবেলায় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে সরকারি নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না অনেকে।এদিকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিন-রাত প্রচারণা চালিয়ে গেলেও অনেক জায়গায় হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন।লকডাউনের কারণে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে কোথাও যানজট আবার কোথাও ফাঁকা রাস্তা দেখা গেছে। নগরীর টাইগারপাস এলাকায় যানবাহন শূণ্য থাকলেও আগ্রাবাদ, দুই নম্বর গেইটসহ বিভিন্ন এলাকায় যানজট দেখা গেছে।
নগরীর শাহ আমানত ব্রীজের গোল চত্তর এলাকায় ঘরমুখী মানুষের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। বাসা থেকে বের হয়ে নতুন ব্রিজ এলাকায় গিয়েই যানবহনের অভাবে বিপাকে পড়েছেন তারা। লকডাউন মানে ঘর থেকে বের না হওয়া। সেক্ষেত্রে কোন কড়াকড়ি নেই।
নতুন ব্রীজ এলাকায় বাড়ী যাওয়ার জন্য যানবাহনের অপেক্ষায় থাকা সাতকানিয়ার আমেনা বেগম জানালেন, ঘরে বসে কি করবো তাই বাড়ী যাওয়ার জন্য বের হয়ে এখন কোন গাড়ী পাচ্ছি না। লকডাউনে কেন বের হয়েছেন জবাবে বললেন বাসায় থেকে কি করবো, বাসায় কোন পর্যাপ্ত খাবারও নেই। ৭ দিন পরে লকডাউন বাড়ালে তখন কি করবো।
এদিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে লকডাউনের মধ্যেই দোকানপাট খোলার দাবিতে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
সোমবার (৫ এপ্রিল) সকালে নিউমার্কেটের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মচারীরা।
জানা গেছে, আজ সকালে নিউমার্কেট, গাউসিয়াসহ বেশ কয়েকটি মার্কেটের ব্যবসায়ীরা জড়ো হন। এ সময় পুলিশ বাধা দিলেও তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তারা অবিলম্বে লকডাউন প্রত্যাহারের দাবি জানান।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমাদের একটাই দাবি দোকানপাট খুলে দিতে হবে। সামনে রমজান ও ঈদ, পুরো বছরের এই সময়টার অপেক্ষায় থাকি। আমরা কিছুই জানতে চাই না, বঝতেও চাই না। আমরা দোকানাপাট খুলতে চাই। পরিবার নিয়ে বাঁচতে চাই।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন শপিং মলের ব্যবসায়ীরা বলছেন, গার্মেন্ট, ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান খোলা রেখে ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার কোন মানে হয় না।
প্রসঙ্গত, দেশে করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে আজ (সোমবার) থেকে ৭ দিনের লকডাউনের ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।
সিটি নিউজ/ডিটি
